
সকাল হলেই চুলায় আগুন জ্বলে। গরম তেলে একের পর এক ভাজা হয় শিঙাড়া-পুরি। স্কুলের সামনে একটি ছোট্ট টোঙ দোকানে ক্রেতাদের কাছে এসব খাবার বিক্রি করেন অনিমেষ অধিকারী। দিন শেষে যা আয় হয়, তা দিয়েই চলে পাঁচ সদস্যের সংসার। সেই আয়ের একটি বড় অংশ চলে যায় শারীরিক প্রতিবন্ধী একমাত্র সন্তান অর্নবের চিকিৎসায়।

ছাদে ফাটল, ভাঙা হোয়াইটবোর্ড, কোথাও খসে পড়ছে পলেস্তারা। শ্রেণিকক্ষ সংকটে স্টোররুমেও চলে পাঠদান। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বগুড়া ইউনিয়নের নাগেরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বয়স প্রায় ১৪৫ বছর। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে গড়েছে নিজেদের ভবিষ্যৎ। অথচ সময়ের সঙ্গে বদলায়নি বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত দুর

একসময় অনাবাদি পড়ে থাকা জমি এখন পরিণত হয়েছে সবুজে ঘেরা বাণিজ্যিক ফলবাগানে। আগাছায় ভরা সেই পতিত জমিতে সারি সারি ড্রাগন ফলের গাছের পাশাপাশি চাষ হচ্ছে মাল্টা ও কমলা। ফলন ও বিক্রিতে মুখর হয়ে উঠেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়া বাড়িয়া ইউনিয়নের গোয়ালবাড়িয়া গ্রামের ছয় বিঘার এ বাগান। চাকরির ব্যস্ততার ফাঁকে ছয় ভা

ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে ধারণক্ষমতার তিনগুণেরও বেশি বন্দি। ৩৮২ জনের ধারণক্ষমতার কারাগারটিতে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বন্দি ছিলেন ১ হাজার ২১০ জন। অতিরিক্ত বন্দির চাপে আবাসন, খাবার, পানি, চিকিৎসা, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তাসহ কারাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সাম্প্

কৃষিকে নির্ভুল করতে রয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, মাটির পিএইচ পরীক্ষা, বৃষ্টিপাতের তথ্য, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পূর্বাভাস, মোবাইলভিত্তিক কৃষি তথ্যসেবা, সেন্সর ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি। এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে আবহাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে চাষাবাদের সময় নির্ধারণ, প্রয়োজন অনুযায়ী সার ও পানি ব্যবহার এবং রোগবালাইয়ের ঝুঁক

চিকিৎসক ও জনবলসংকটে ঝিনাইদহ জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জেলার ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালসহ ছয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অধিকাংশ হাসপাতালেই অনুমোদিত পদের অর্ধেকও নেই চিকিৎসক। কোথাও অ্যানেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ না থাকায় বন্ধ রয়েছে অস্ত্

ধান আছে, জমি আছে, কৃষকও আছেন। নেই শুধু কৃষকের নিজের বীজ। একসময় গোলাভরা ধানের পাশে মাটির মটকা বা বাঁশের গোলায় যত্ন করে রাখা হতো পরের মৌসুমের বীজ। এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। কৃষকের ঘরের বীজের জায়গা নিয়েছে বাজারের প্যাকেটজাত বীজ। ফলে কৃষক ক্রমেই সরকারি ও বেসরকারি বীজবাজারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। কৃষি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের যানজট নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হকার্স মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে কালীগঞ্জ পৌরসভা। শহরের নতুন বাজার এলাকার মিনি স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে লেকসংলগ্ন নতুন সলিং সড়কের ধারে এ মার্কেট নির্মাণ করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছ থেকে কালীগঞ্জ পৌরসভার নামে ৫ দশমিক ৭০ একর জমি

ধানের চারা সবুজ হয়েছে, মাঠজুড়ে এখন নতুন ফসলের স্বপ্ন। কৃষকের চোখে ভালো ফলনের প্রত্যাশা। কিন্তু সেই স্বপ্নের ফসল বাঁচাতে এখন বড় দুশ্চিন্তার নাম সার। ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের অভিযোগ, ধানের জমিতে সার প্রয়োগের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চাহিদামতো সার মিলছে না। দিনের পর দিন দোকানে দোকানে ঘুরেও অনেক

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার আড়পাড়া, চাপালী ও শ্রীরামপুর এলাকায় দুই শতাধিক পরিবার প্রতিনিয়ত মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। বাড়ির ছাদ ও চালের একেবারেই ওপর দিয়ে চলে গেছে ৩৩ হাজার ভোল্টের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। কোথাও কোথাও ছাদ থেকে তারের দূরত্ব মাত্র দুই থেকে আড়াই ফুট। ফলে শিশু ও ব

দোকান আছে, পণ্য আছে, চা বানানোর চুলাও জ্বলছে—শুধু নেই কোনো দোকানদার! নেই ক্যাশবাক্সের সামনে বসে থাকা কেউ, নেই ক্রেতাকে চা এগিয়ে দেওয়ার লোক। তবু দিব্যি চলছে কেনাবেচা। পথচারী থেকে শুরু করে বাজারের চেনা মানুষ, যার যখন চা খেতে ইচ্ছে হয়, তিনি নিজেই বানিয়ে নেন। কেউ কেক-বিস্কুট খান, কেউ আবার অন্যদের জন্যও

এক সময়ের খরস্রোতা নদীগুলো ছিল ঝিনাইদহের মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম ভরসা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে জেলার অধিকাংশ নদী এখন কচুরিপানার দখলে চলে গেছে। কোথাও কোথাও এত ঘন কচুরিপানা জমেছে যে নদীর পানিও দেখা যায় না।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৯নং বারোবাজারের পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার দুই দশকেরও বেশি সময় পার হলেও এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। ভবনটি দীর্ঘ ২১ বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও সেখানে এখনো নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় এটি ধস