
ধান আছে, জমি আছে, কৃষকও আছেন। নেই শুধু কৃষকের নিজের বীজ। একসময় গোলাভরা ধানের পাশে মাটির মটকা বা বাঁশের গোলায় যত্ন করে রাখা হতো পরের মৌসুমের বীজ। এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। কৃষকের ঘরের বীজের জায়গা নিয়েছে বাজারের প্যাকেটজাত বীজ। ফলে কৃষক ক্রমেই সরকারি ও বেসরকারি বীজবাজারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। কৃষি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের যানজট নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হকার্স মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে কালীগঞ্জ পৌরসভা। শহরের নতুন বাজার এলাকার মিনি স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে লেকসংলগ্ন নতুন সলিং সড়কের ধারে এ মার্কেট নির্মাণ করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছ থেকে কালীগঞ্জ পৌরসভার নামে ৫ দশমিক ৭০ একর জমি

ধানের চারা সবুজ হয়েছে, মাঠজুড়ে এখন নতুন ফসলের স্বপ্ন। কৃষকের চোখে ভালো ফলনের প্রত্যাশা। কিন্তু সেই স্বপ্নের ফসল বাঁচাতে এখন বড় দুশ্চিন্তার নাম সার। ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের অভিযোগ, ধানের জমিতে সার প্রয়োগের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চাহিদামতো সার মিলছে না। দিনের পর দিন দোকানে দোকানে ঘুরেও অনেক

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার আড়পাড়া, চাপালী ও শ্রীরামপুর এলাকায় দুই শতাধিক পরিবার প্রতিনিয়ত মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। বাড়ির ছাদ ও চালের একেবারেই ওপর দিয়ে চলে গেছে ৩৩ হাজার ভোল্টের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। কোথাও কোথাও ছাদ থেকে তারের দূরত্ব মাত্র দুই থেকে আড়াই ফুট। ফলে শিশু ও ব

দোকান আছে, পণ্য আছে, চা বানানোর চুলাও জ্বলছে—শুধু নেই কোনো দোকানদার! নেই ক্যাশবাক্সের সামনে বসে থাকা কেউ, নেই ক্রেতাকে চা এগিয়ে দেওয়ার লোক। তবু দিব্যি চলছে কেনাবেচা। পথচারী থেকে শুরু করে বাজারের চেনা মানুষ, যার যখন চা খেতে ইচ্ছে হয়, তিনি নিজেই বানিয়ে নেন। কেউ কেক-বিস্কুট খান, কেউ আবার অন্যদের জন্যও

এক সময়ের খরস্রোতা নদীগুলো ছিল ঝিনাইদহের মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম ভরসা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে জেলার অধিকাংশ নদী এখন কচুরিপানার দখলে চলে গেছে। কোথাও কোথাও এত ঘন কচুরিপানা জমেছে যে নদীর পানিও দেখা যায় না।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৯নং বারোবাজারের পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার দুই দশকেরও বেশি সময় পার হলেও এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। ভবনটি দীর্ঘ ২১ বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও সেখানে এখনো নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় এটি ধস