জাল সনদে চাকরি/চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬ শিক্ষক-কর্মচারীকে তলব

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) কর্তৃক জাল সনদধারী হিসেবে শনাক্ত হওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছয়জন শিক্ষক ও কর্মচারীকে তলব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। দাখিলকৃত জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাদের সশরীরে উপস্থিত হয়ে শুনানিতে অংশ নিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া একই ঘটনায় সারা দেশের আরও ৫৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে তলব করেছে মাউশি।
বুধবার (২২ জুলাই) মাউশির কলেজ শাখা-৩-এর উপপরিচালক শফি মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ শুনানির নোটিশ জারি করা হয়।
নোটিশে জানানো হয়, জাল সনদের দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষকদের এমপিও বাতিল, স্থগিত কিংবা কেন চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সে বিষয়ে তাদের দেওয়া কারণ দর্শানোর জবাব সন্তোষজনক হয়নি। তাই বিষয়টি অধিকতর যাচাইয়ের লক্ষ্যে এ শুনানির আয়োজন করা হয়েছে।
প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী ২৮ জুলাই সকাল ১০টায় ঢাকার শিক্ষা ভবনে মাউশি মহাপরিচালকের কার্যালয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। উক্ত শুনানিতে উপস্থিত থাকার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের যে ৬ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন—চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট মোহবুল্লাহ মহাবিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের নন-এমপিও প্রভাষক আমেনা খাতুন ও মনোবিজ্ঞান বিষয়ের নন-এমপিও প্রভাষক রুমানা আক্তার, শিবগঞ্জের বিনোদপুর ডিগ্রী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের নন-এমপিও প্রভাষক মো. মমিনুল ইসলাম, উজিরপুর আদর্শ কলেজের সাঁচিবিক বিদ্যা বিষয়ের নন-এমপিও প্রভাষক মো. সোহবুল আলম, নাচোলের রাজবাড়ী কলেজের গণিত বিষয়ের প্রভাষক মো. ইসাহাক আলী এবং শিবগঞ্জ স্নাতক কলেজের সহকারী গ্রন্থাগারিক মোছা. মিনিয়ারা খাতুন।
মাউশির নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, শুনানির দিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল সনদ, নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত কাগজপত্রের দুই সেট ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে।
এছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ ইতোমধ্যে পদত্যাগ, অপসারণ, বরখাস্ত বা মৃত্যুবরণ করে থাকলে কিংবা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হয়ে থাকলে—সে সংক্রান্ত যথাযথ তথ্য-প্রমাণাদিসহ প্রতিষ্ঠানপ্রধানকেও উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
.png)





