রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরে যেতে মাইকিং

নিম্নচাপের প্রভাবে থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কা বেড়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল থেকে পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে জেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্যোগে যৌথভাবে মাইকিং করা হচ্ছে। এ সময় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় রাঙামাটি পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১১টিসহ জেলায় ৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পৌর এলাকার ২৮টি স্থানকে পাহাড়ধসপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।
পাহাড়ধসের তীব্র আশঙ্কার মধ্যেও জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকা ও পাহাড়ের পাদদেশে বর্তমানে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ বসবাস করছে। রাঙামাটি পৌর শহরের শিমুলতলী, রূপনগর, নতুনপাড়া, যুব উন্নয়ন এলাকা, রিজার্ভ বাজার, ভেদভেদি ও লোকনাথ মন্দির এলাকা ছাড়াও আরও কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অসংখ্য পরিবার ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছে। অতীতে এসব এলাকার অনেকগুলোতেই ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে।
শহরের শিমুলতলীর স্থানীয় বাসিন্দা মো. সবুর মিয়া বলেন, এখনও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যে তাৎক্ষণিকভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হবে। ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হলে তখনই আশ্রয়কেন্দ্রে যাব।
রাঙামাটি সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আসলাম সারোয়ার জানিয়েছেন, আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের জীবন রক্ষায় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি অপ্রয়োজনে পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে অবস্থান না করার আহ্বান জানান এই কর্মকর্তা।




