logo
Advertisement

শরীরে কোন লক্ষণে বুঝবেন লিভারে চর্বি জমেছে

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
শরীরে কোন লক্ষণে বুঝবেন লিভারে চর্বি জমেছে
ফ্যাটি লিভার মানেই লিভার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, এমন নয়। ছবি: কাউভেরি হসপিটাল

লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমেছে, অথচ শরীরে তেমন কোনো সমস্যা নেই। এমন ঘটনা খুবই সাধারণ। ফ্যাটি লিভারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, শুরুতে এটি অনেক সময় কোনো লক্ষণই প্রকাশ করে না। ফলে অনেকেই অন্য কোনো কারণে পরীক্ষা করতে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমেছে।

Advertisement

ফ্যাটি লিভারকে এখন চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনেক ক্ষেত্রে স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ বলা হয়। বিপাকজনিত কারণে হওয়া সবচেয়ে সাধারণ ধরনটির নাম মেটাবলিক ডিফাংশন অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ বা MASLD। অতিরিক্ত ওজন, পেটের মেদ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, উচ্চ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মতো সমস্যার সঙ্গে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

তবে ফ্যাটি লিভার মানেই লিভার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, এমন নয়। শুরুতে ধরা পড়লে জীবনযাপনে পরিবর্তন এনে অনেক ক্ষেত্রেই অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব। সমস্যা হয় যখন লিভারে জমে থাকা চর্বির সঙ্গে প্রদাহ ও কোষের ক্ষতি শুরু হয়। তখন ধীরে ধীরে ফাইব্রোসিস বা লিভারে দাগ তৈরি হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত সিরোসিসের মতো গুরুতর অবস্থাও তৈরি হতে পারে।

ফ্যাটি লিভার আসলে কী?

স্বাভাবিক লিভারেও অল্প পরিমাণ চর্বি থাকতে পারে। কিন্তু লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমে গেলে তাকে স্টিয়াটোটিক বা ফ্যাটি লিভার বলা হয়। বিপাকজনিত ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে শরীরে চর্বি ও শর্করা ব্যবহারের প্রক্রিয়ায় সমস্যা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং অতিরিক্ত ওজনের মতো বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ফ্যাটি লিভারের একটি বড় অংশ শুরুতে তুলনামূলকভাবে কম গুরুতর থাকে। কিন্তু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে লিভারে প্রদাহ ও কোষের ক্ষতি শুরু হয়ে MASH বা মেটাবলিক ডিফাংশন অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোহেপাটাইটিস হতে পারে। এরপর ফাইব্রোসিস, সিরোসিস এবং গুরুতর ক্ষেত্রে লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

শুরুতে কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে

ফ্যাটি লিভারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, অনেকের কোনো উপসর্গ থাকে না। এ কারণেই একে অনেক সময় নীরব রোগ বলা হয়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় লিভারের এনজাইমে পরিবর্তন ধরা পড়তে পারে অথবা আল্ট্রাসনোগ্রামে লিভারে অতিরিক্ত চর্বি দেখা যেতে পারে।

ছবি: এফসিপি লাইভ ইন
ছবি: এফসিপি লাইভ ইন

তাই শরীরে কোনো ব্যথা নেই বলে লিভার পুরোপুরি সুস্থ, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগছে?

ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে ক্লান্তি বা দুর্বল লাগতে পারে। অবশ্য ক্লান্তির অসংখ্য কারণ থাকতে পারে। ঘুমের ঘাটতি, রক্তস্বল্পতা, মানসিক চাপ, থাইরয়েডের সমস্যা বা অন্য কোনো অসুস্থতার কারণেও এমন হতে পারে।

তবে কারও যদি দীর্ঘদিন অস্বাভাবিক ক্লান্তি থাকে এবং একই সঙ্গে অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

পেটের ডান দিকে অস্বস্তি?

লিভার শরীরের ডান দিকের ওপরের অংশে অবস্থিত। ফ্যাটি লিভারে কারও কারও ওই অংশে মৃদু ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে। তবে এটি ফ্যাটি লিভারের নির্দিষ্ট লক্ষণ নয়।

ডান দিকের ওপরের পেটে নিয়মিত ব্যথা বা অস্বস্তি হলে নিজের মতো করে ফ্যাটি লিভার ধরে না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ওজন কমে যাচ্ছে অকারণে?

ফ্যাটি লিভারের প্রাথমিক পর্যায়ে ওজন কমে যাওয়া সাধারণ লক্ষণ নয়। তবে রোগটি অগ্রসর হলে এবং লিভারের গুরুতর ক্ষতি হলে অকারণে ওজন কমতে পারে।

তাই চেষ্টা না করেও ওজন কমে গেলে বিষয়টি অবহেলা না করে কারণ খুঁজে দেখা দরকার। বিশেষ করে এর সঙ্গে দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা বা অন্য কোনো শারীরিক পরিবর্তন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

চোখ ও ত্বক হলুদ হলে সতর্ক হন

চোখের সাদা অংশ বা ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া জন্ডিসের লক্ষণ। এটি সাধারণ ফ্যাটি লিভারের প্রাথমিক লক্ষণ নয়। তবে লিভারের রোগ অনেকটা এগিয়ে গেলে এমন লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

জন্ডিসের সঙ্গে পেট ফুলে যাওয়া, পা ফুলে যাওয়া, তীব্র দুর্বলতা বা বিভ্রান্তির মতো লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

পা ও পেট ফুলে যেতে পারে

লিভারের গুরুতর ক্ষতি হলে শরীরে তরল জমে পেট ফুলে যেতে পারে। পা বা গোড়ালিও ফুলে যেতে পারে। এসব লক্ষণ সাধারণ ফ্যাটি লিভারের চেয়ে উন্নত পর্যায়ের লিভার রোগের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে।

তাই পেট বা পা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।

ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কাদের বেশি?

কিছু মানুষের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। যেমন-

  • অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
  • কোমর ও পেটের চারপাশে অতিরিক্ত মেদ
  • টাইপ-২ ডায়াবেটিস
  • ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স
  • রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি থাকা
  • উচ্চ কোলেস্টেরল
  • উচ্চ রক্তচাপ
  • মেটাবলিক সিনড্রোম
  • পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম
  • থাইরয়েড কম সক্রিয় থাকা
  • শারীরিক পরিশ্রম কম করা

এসব ঝুঁকি থাকলে শরীরে কোনো উপসর্গ না থাকলেও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু মোটা হলেই ফ্যাটি লিভার হয়?

না। অতিরিক্ত ওজন ফ্যাটি লিভারের গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হলেও এটি একমাত্র কারণ নয়। স্বাভাবিক ওজনের মানুষেরও MASLD হতে পারে। ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, রক্তে অতিরিক্ত চর্বি এবং অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যা থাকলে ঝুঁকি বাড়তে পারে।

তাই শরীরের গঠন দেখে লিভারে চর্বি জমেছে কি না নিশ্চিত হওয়া যায় না।

কীভাবে ফ্যাটি লিভার ধরা পড়ে?

ফ্যাটি লিভার অনেক সময় অন্য কোনো কারণে করা পরীক্ষায় ধরা পড়ে। চিকিৎসক সাধারণত রোগীর ওজন, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য ঝুঁকি বিবেচনা করেন। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা ও ইমেজিং পরীক্ষা করা হতে পারে।

লিভার ফাংশন টেস্টে ALT ও AST-এর মতো এনজাইম পরীক্ষা করা হতে পারে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এসব এনজাইম স্বাভাবিক থাকলেও ফ্যাটি লিভার থাকতে পারে। তাই শুধু রক্ত পরীক্ষার একটি রিপোর্ট দেখে লিভার সম্পূর্ণ সুস্থ বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে লিভারে অতিরিক্ত চর্বি দেখা যেতে পারে। আবার FibroScan বা অন্য ধরনের ইলাস্টোগ্রাফি দিয়ে লিভারে কতটা শক্তভাব বা ফাইব্রোসিস তৈরি হয়েছে, সেটিও মূল্যায়ন করা যায়।

ফ্যাটি লিভার হলে কি ওষুধ খেলেই ভালো হবে?

সব ক্ষেত্রে শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর করা যায় না। ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় জীবনযাপনের পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে ওজন কমানো, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম করা চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে সেগুলোও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

কিছু নির্দিষ্ট রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসক ওষুধ বিবেচনা করতে পারেন। বিশেষ করে MASH ও উল্লেখযোগ্য লিভার ফাইব্রোসিস থাকলে বর্তমানে নির্দিষ্ট ওষুধ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এসব ওষুধ সবার জন্য নয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নেওয়া উচিত নয়।

ওজন কমালে কি লিভারের চর্বি কমে?

অনেক ক্ষেত্রে হ্যাঁ। অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে ওজন কমানো লিভারের চর্বি ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। মায়ো ক্লিনিকের তথ্য অনুযায়ী, শরীরের ওজনের ৩ থেকে ৫ শতাংশ কমলেও উপকার পাওয়া যেতে পারে এবং আরও বেশি ওজন কমলে অতিরিক্ত সুফল মিলতে পারে।

তবে খুব দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা না করে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ধীরে ও টেকসইভাবে ওজন কমানো ভালো।

খাবারে কী পরিবর্তন আনবেন

ফ্যাটি লিভার থাকলে খাবারের ধরন গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যতালিকায় বেশি করে শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্য, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং পরিমিত প্রোটিন রাখা যেতে পারে। অতিরিক্ত চিনি, মিষ্টি পানীয়, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো ভালো।

ফ্যাটি লিভার থাকলে খাবারের ধরন গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: গ্রিস ওয়ার্ল্ড হোম কেয়ার
ফ্যাটি লিভার থাকলে খাবারের ধরন গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: গ্রিস ওয়ার্ল্ড হোম কেয়ার

বিশেষ করে কোমল পানীয়, অতিরিক্ত মিষ্টি চা বা কফি, মিষ্টিজাতীয় পানীয় ও বাড়তি চিনি নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা কমানো জরুরি।

ব্যায়াম কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

শুধু খাবার কমালেই হবে না, নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রমও প্রয়োজন। হাঁটা, সাইক্লিং, সাঁতার বা নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী অন্য কোনো ব্যায়াম করা যেতে পারে।

ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক কার্যক্রমের কথা বলছে। তবে দীর্ঘদিন ব্যায়াম না করে থাকলে হঠাৎ কঠিন ব্যায়াম শুরু না করে ধীরে ধীরে শুরু করা ভালো।

অ্যালকোহল না খেলেও কি ফ্যাটি লিভার হতে পারে?

অবশ্যই। ফ্যাটি লিভার শুধু অ্যালকোহল পানকারীদের রোগ নয়। বিপাকীয় সমস্যার সঙ্গে যুক্ত MASLD-তে অ্যালকোহল প্রধান কারণ নয়। অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, উচ্চ কোলেস্টেরল ও অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যা থেকেও লিভারে চর্বি জমতে পারে।

এ কারণেই অ্যালকোহল পান না করলেও ফ্যাটি লিভার হতে পারে।

ফ্যাটি লিভার কি পুরোপুরি ভালো হতে পারে?

প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রেই অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব। বিশেষ করে অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে ওজন কমানো, স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে লিভারের চর্বি ও ক্ষতি কমানো যেতে পারে।

তবে লিভারে একবার গুরুতর সিরোসিস তৈরি হলে সেটি আগের অবস্থায় পুরোপুরি ফিরে আসা সাধারণত সম্ভব নয়। তাই রোগটি যত আগে শনাক্ত করা যায়, তত ভালো।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

নিচের কোনো সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা উচিত-

  • দীর্ঘদিন অস্বাভাবিক ক্লান্তি
  • ডান দিকের ওপরের পেটে নিয়মিত অস্বস্তি
  • অকারণে ওজন কমে যাওয়া
  • চোখ বা ত্বক হলুদ হওয়া
  • পেট বা পা ফুলে যাওয়া
  • ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল বা স্থূলতা
  • আল্ট্রাসনোগ্রামে ফ্যাটি লিভার ধরা পড়া
  • লিভার ফাংশন পরীক্ষায় অস্বাভাবিক ফল

বিশেষ করে চোখ বা ত্বক হলুদ হওয়া, পেট দ্রুত ফুলে যাওয়া, বিভ্রান্তি বা গুরুতর দুর্বলতার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

ফ্যাটি লিভারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এটি অনেক সময় নীরবে শুরু হয়। তাই কোনো ব্যথা বা অস্বস্তি নেই বলে লিভার সম্পূর্ণ সুস্থ, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

অতিরিক্ত ওজন, পেটের মেদ, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল বা উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড থাকলে ঝুঁকির বিষয়ে সচেতন হওয়া দরকার। প্রয়োজন হলে রক্ত পরীক্ষা ও আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে বিষয়টি পরীক্ষা করা যায়।

সবচেয়ে আশার কথা হলো, শুরুতেই ধরা পড়লে ফ্যাটি লিভারের অনেক ক্ষেত্রেই জীবনযাপনের পরিবর্তনের মাধ্যমে অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব। তাই লক্ষণ দেখা দেওয়ার অপেক্ষা না করে ওজন, খাবার, শারীরিক কার্যক্রম এবং রক্তে শর্করা ও চর্বির মাত্রার দিকে নিয়মিত নজর রাখাই ভালো।

সূত্র: মায়ো ক্লিনিক