শিশুকে ডায়াপার পরানোর ক্ষেত্রে যেসব সতর্কতা মেনে চলা জরুরি

বর্তমানে শিশুদের ডায়াপারে অভ্যস্ত করার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। শিশুদের নিয়ে বাইরে বের হওয়া, কেনাকাটা করা অথবা কারও বাসায় বেড়াতে যাওয়ার মতো জায়গাগুলোতে ছোট শিশুকে ডায়াপার পরানো বেশ সুবিধাজনক।
তবে ডায়াপার পরানো নিয়ে অনেক মায়ের মনেই নানা ধরনের প্রশ্ন ও দুশ্চিন্তা জাগে। ডায়াপার পরানো কি মোটেও ভালো? এতে কি শিশুর কোনো ক্ষতি হয়? কিংবা ডায়াপার র্যাশ কেন হয়? ডায়াপার পরালে কি শিশুর নিজে থেকে মল-মূত্র ত্যাগের যে স্বাভাবিক অভ্যাস গড়ে ওঠার কথা, তা কি ব্যাহত হতে পারে?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় এ বিষয়ে বিস্তারিত পরামর্শ দিয়েছেন শিশু ও শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মনজুর হোসেন।
তার মতে, শিশুকে ডায়াপার পরানোর ক্ষেত্রে মা-বাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
সময়সীমা মেনে চলা
কোনোভাবেই একটি ডায়াপার ৬ ঘণ্টার বেশি সময় পরিয়ে রাখা যাবে না। বিশেষ করে বাংলাদেশের আবহাওয়া তুলনামূলক উষ্ণ ও আর্দ্র হওয়ায় দীর্ঘ সময় ভেজা বা ব্যবহৃত ডায়াপার পরিয়ে রাখা ঝুঁকিপূর্ণ।
দ্রুত পরিবর্তন করা
৬ ঘণ্টা না পেরোলেও শিশু প্রস্রাব-পায়খানা করার সঙ্গে সঙ্গেই ডায়াপারটি পরিবর্তন করে দিতে হবে। তা না হলে জমে থাকা মল-মূত্রের সঙ্গে ডায়াপারের কেমিক্যাল বিক্রিয়ায় (কেমিক্যাল রিয়্যাকশন) শিশুর ত্বকে ‘ডায়াপার র্যাশ’ দেখা দিতে পারে। সময়মতো খেয়াল না করলে এই সংক্রমণ বা র্যাশ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
টয়লেট ট্রেনিং দেওয়া
নির্দিষ্ট বয়স হওয়ার পর শিশুকে নিজে থেকে টয়লেট ব্যবহারের বা মল-মূত্র ত্যাগের প্রশিক্ষণ (টয়লেট ট্রেনিং) দেওয়া শুরু করতে হবে। সময়মতো এই অভ্যাস গড়ে না তুললে শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে যেখানে-সেখানে বা বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়তে পারে, যা ভবিষ্যতেও বহাল থাকার ঝুঁকি থাকে।
-fa53e5.jpg)