logo
Advertisement

এক্সরে বন্ধ ১০১ উপজেলা হাসপাতালে

• দেশের ৪২৬ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৯৬টিতেই হয় না আল্ট্রাসনোগ্রাম

• অস্ত্রোপচার কক্ষ অচল দুই-তৃতীয়াংশ হাসপাতালের

• অধিকাংশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেলে না ইসিজি পরীক্ষার সুযোগ

• গত এক বছরে দেশের ৫২ শতাংশ রোগ নির্ণয় যন্ত্র একবারও ব্যবহার হয়নি: পিপিআরসির জরিপ

এক্সরে বন্ধ ১০১ উপজেলা হাসপাতালে
বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ছবি: এশিয়া পোস্ট

দেশের ৪২৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে ১০১টিতেই বন্ধ এক্সরে সেবা। আল্ট্রাসনোগ্রাম হয় না আরও ১৯৬টি হাসপাতালে। বেশির ভাগেই মিলছে না ইসিজি পরীক্ষার সুযোগও। রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন গরিব রোগীরা।

উপজেলা হাসপাতালের বার্ষিক বরাদ্দের ৭০ শতাংশ যায় ওষুধ কেনায়। বাকি ৩০ শতাংশ ভাগ হয় লিনেন সামগ্রী, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি মেরামত ও রোগ নির্ণয়ের রি-এজেন্ট কেনায়। এর মধ্যে রোগ নির্ণয়ের জন্য বরাদ্দ থাকে মাত্র ২ শতাংশ। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) মাঠ পর্যায়ের সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমন চিত্র।

পিপিআরসির তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে হাসপাতালগুলোতে থাকা রোগ নির্ণয় যন্ত্রের ৫২ শতাংশ একবারের জন্যও ব্যবহৃত হয়নি। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বরাদ্দ বিভাজনেও এই সংকটের প্রতিফলন মিলেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নথিতে।

পিপিআরসির সমীক্ষা বলছে, উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও বিশেষায়িত হাসপাতাল মিলিয়ে আগে রোগ নির্ণয় যন্ত্রের সেবা পাওয়ার হার ছিল ৬৫ শতাংশ। বর্তমানে এটি ২৫ শতাংশে নেমে এসেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই হার ৪৬ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে মাত্র ১৭ শতাংশে। দুই-তৃতীয়াংশ উপজেলা হাসপাতালের অস্ত্রোপচার (ওটি) কক্ষও অচল অবস্থায় পড়ে আছে।

সংকট মোকাবিলায় হাসপাতালের নিজস্ব রাজস্ব আয় ব্যবহারের একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হলে অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে।

মাঠের চিত্র

বরগুনার আমতলীর প্রায় তিন লাখ মানুষের ভরসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে চিকিৎসক ও নার্সসহ জনবল খাতের বাইরে হাসপাতালটির সেবা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে রোগ নির্ণয়ের জন্য রাখা হয়েছে দুই লাখ ৬৬ হাজার টাকা। শতকরা হিসাবে এই হার মাত্র ২ শতাংশ।

প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগী শুধু বহির্বিভাগেই চিকিৎসা নেন। তাদের অন্তত অর্ধেকের কোনো না কোনো রোগ নির্ণয় প্রয়োজন হয়। এর বাইরে রয়েছে জরুরি বিভাগ ও ভর্তি রোগীরা। চিকিৎসা নিতে আসা বেশির ভাগ রোগীরই এখানে চাহিদা অনুযায়ী রোগ নির্ণয়ের সুযোগ মেলে না।

উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা দিনমজুর ইউসুফ হাওলাদার (৪৭)। সামান্য পরিশ্রমেই শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখালে ইসিজি করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালের একমাত্র ইসিজি যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। বাধ্য হয়ে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হয় তাকে। সরকারি হাসপাতালের ৮০ টাকার পরীক্ষা সেখানে তাকে করাতে হয় ৪০০ টাকায়।

ইউসুফের ছেলে সবুজ বলেন, ‘দেড় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ডাক্তার দেখাতে হলো। পরীক্ষা দিয়েছে, সেটাও বাইরে গিয়ে করতে হবে। এমন চিকিৎসা দিয়ে মানুষের কী ফায়দা হয়?’

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হিমেল পাল এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রোগী চিকিৎসা নেয়। শয্যার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি থাকে। কিন্তু এর জন্য রোগ নির্ণয়ে যে পরিমাণ বরাদ্দ দরকার তা কখনো দেওয়া হয় না। ফলে রোগীদের বাইরে যেতে হয়।’

প্রায় একই চিত্র শরীয়তপুরের ৫০ শয্যার ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এখানে প্রতি মাসে শুধু বহির্বিভাগেই চিকিৎসা নেন অন্তত ১০ হাজার মানুষ, বছর শেষে যা দাঁড়ায় এক লাখ ২০ হাজারে। এদের প্রায় অর্ধেকের প্রয়োজন হয় প্যাথলজি, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংসহ বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের। অর্থাৎ বছরে অন্তত ৬০ হাজার রোগীর রোগ নির্ণয় প্রয়োজন পড়ে এই একটি হাসপাতালে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় জরুরি বিভাগ ও ভর্তি রোগীদের চাহিদা।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে এখানে মোট বরাদ্দ মাত্র ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে রোগ নির্ণয়ের জন্য বরাদ্দ চার লাখ টাকার মতো।

ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শাহ্ আলম সিদ্দিকী এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘ভর্তি রোগী ও জরুরি বিভাগের কথা বাদ দিলেও প্রতিদিন যারা বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেয় তাদের অন্তত ৫০ ভাগের রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা করাতে পারি না। রোগ নির্ণয়ের জন্য বরাদ্দের মাত্র ২ শতাংশ কখনো পর্যাপ্ত নয়। অন্তত ১০ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হলে প্রয়োজনীয়তা মেটানো সম্ভব।’

উপজেলা হাসপাতালের বরাদ্দ বিভাজন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চিকিৎসাসেবার জন্য নির্ধারিত ১০টি খাতের মধ্যে ৭০ শতাংশই বাধ্যতামূলকভাবে রাখা হয় ওষুধপত্র কেনার জন্য। বাকি ৩০ শতাংশ ভাগ হয় লিনেন সামগ্রী, এমএসআর সরঞ্জাম কেনা ও মেরামত, রোগ নির্ণয়ের উপকরণ (রি-এজেন্ট) এবং আসবাবপত্র কেনার মতো খাতগুলোতে। এর মধ্যে রোগ নির্ণয়ে বরাদ্দ থাকে মাত্র ২ শতাংশ। ফলে চাহিদা অনুযায়ী পরীক্ষা করানোর সুযোগ পান না রোগীরা।

সংকট কাটাতে বিকল্প চিন্তা

রোগ নির্ণয়ের উপকরণ ও জনবলের অভাবে শতাধিক উপজেলায় বন্ধ রয়েছে এক্সরে ও আল্ট্রাসনোগ্রামের মতো পরীক্ষা। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) সম্প্রতি প্রকাশিত এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমন চিত্র।

পিপিআরসির তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে হাসপাতালগুলোতে থাকা রোগ নির্ণয় যন্ত্রের ৫২ শতাংশ একবারের জন্যও ব্যবহৃত হয়নি। উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও বিশেষায়িত হাসপাতাল মিলিয়ে আগে রোগ নির্ণয় যন্ত্রের সেবা পাওয়ার হার ছিল ৬৫ শতাংশ। বর্তমানে এটি কমে দাঁড়িয়েছে ২৫ শতাংশে। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই সেবার হার আগে ছিল ৪৬ শতাংশ। বর্তমানে এটি ১৭ শতাংশে নেমে এসেছে।

সংকট মোকাবিলায় হাসপাতাল থেকে আসা রাজস্ব আয় ব্যবহারের একটি সম্ভাব্য উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান। তিনি স্বীকার করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগ নির্ণয়ের উপকরণের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

ডা. জাহিদ রায়হান এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা সচল রাখা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। কিন্তু হঠাৎ করেই রি-এজেন্টের অভাবে বিভিন্ন পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা সত্যিই উদ্বেগের।’

বিদ্যমান ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মেডিকেল ও সার্জিক্যাল রিকুইজিট (এমএসআর) খাতের বরাদ্দ পরিবর্তন বা পুনর্নির্ধারণ করা বেশ জটিল ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এজন্য অর্থ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। তবে এই প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে কীভাবে দ্রুত সমাধান আনা যায়, সে বিষয়ে নীতিগত আলোচনা চলছে।’

বিকল্প সমাধান হিসেবে হাসপাতালের নিজস্ব রাজস্ব আয় ব্যবহারের কথাও জানান এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালগুলো রোগীদের সেবা দিয়ে যে রাজস্ব আয় করে, তা থেকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সরাসরি রি-এজেন্ট কেনা বা জরুরি চিকিৎসাসেবায় খরচ করতে পারেন কি না; তা আমরা খতিয়ে দেখছি। আয় যতটুকুই হোক, সেই অর্থ স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া গেলে সামগ্রিকভাবে সেবার মান উন্নত হবে।’

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উদ্যোগ নিয়েছেন এবং এর আইনি দিকগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হলে তা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।

রোগ নির্ণয়ের অভাবে বাড়ছে ব্যয় ও ভোগান্তি

উপজেলা পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালগুলোতে সঠিক রোগ নির্ণয় না হওয়ায় রোগীদের ব্যয় বাড়ছে। চিকিৎসায় তৈরি হচ্ছে নানা জটিলতা। এই সংকট সমাধানে উপজেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বাজেটে রোগ নির্ণয় খাতে অন্তত ১০ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি চাহিদা নিরূপণের ওপর জোর দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক রুমানা হক।

অধ্যাপক রুমানা হক এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা হলো বাজেট দেওয়ার পদ্ধতিটা ভুল। উপজেলায় ৫০ বেডের হাসপাতালে এতজন ডাক্তার-নার্স থাকবেন। বেডপ্রতি ওষুধের জন্য নির্দিষ্ট বরাদ্দ দেওয়া হবে। এমন একটি আনুমানিক শর্ত এবং ইনক্রিমেন্টাল অ্যাপ্রোচে আগের বছরের চেয়ে ৫-৭ শতাংশ বাড়িয়ে বাজেট হয়। কিন্তু দেখা দরকার, সেখানে রোগী কতজন আসেন এবং কোন রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। যেমন পার্বত্য এলাকায় ম্যালেরিয়া বেশি, অন্য জায়গায় তা নয়। কেবল বেডের সংখ্যা দেখে বাজেট দিলে বাস্তব চাহিদা পূরণ হয় না। লোকাল লেভেলেও সেই জোর দিয়ে চাহিদা তুলে ধরার লিডারশিপের অভাব আছে।’

সমন্বয়হীনতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের বড় সমস্যা হলো কাজের সমন্বয় না থাকা। সেন্ট্রাল থেকে অনেক সময় এক্সরে ফিল্ম বা যন্ত্রপাতি কিনে পাঠাল, কিন্তু সেগুলো ব্যবহার না হয়ে মেয়াদ শেষ হয়ে গেল। আবার অনেক সময় যে মেশিন দরকার সেটা থাকে না; মেশিন থাকলে রি-এজেন্ট (পরীক্ষা রাসায়নিক) থাকে না। রি-এজেন্ট থাকলেও হয়তো টেকনিশিয়ান পাওয়া যায় না। এই তিনটি জিনিসের সমন্বয় না থাকলে রোগ নির্ণয় কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’

বাজেটসংক্রান্ত জটিলতার কথা জানিয়ে রুমানা হক বলেন, ‘হাসপাতালগুলোতে রোগ নির্ণয় খাতে ন্যূনতম ১০ শতাংশ বরাদ্দ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু আমাদের বাজেট ব্যবস্থা ভীষণ কঠোর। এখানে এক খাতের উদ্বৃত্ত টাকা অন্য খাতে ব্যবহার করা যায় না। ধরা যাক, বিদ্যুৎ বিলের টাকা বেঁচে গেছে, কিন্তু রি-এজেন্ট কেনার টাকা নেই। চাইলেও সেই বিদ্যুৎ বিলের টাকা দিয়ে রি-এজেন্ট কেনা সম্ভব হয় না। আবার অনেক পদে লোক না থাকায় বেতনের বরাদ্দের পুরোটা খরচ হয় না। এর সমাধান হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের হাতে কিছু থোক বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে, যাতে তারা জরুরি রি-এজেন্ট বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে পারেন।’

রুমানা হক বলেন, ‘চিকিৎসকরা বাধ্য হয়ে ধারণার ওপর ভিত্তি করে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে দেন। ফলে দেশে ভয়াবহভাবে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাড়ছে। সঠিক রোগ নির্ণয় না হওয়ায় রোগীদের বাধ্য হয়ে প্রাইভেটে যেতে হয়, যা তাদের ব্যক্তিগত খরচ বাড়িয়ে দেয়। এমনকি ছোটখাটো সমস্যার জন্যও রোগীদের জেলা বা ঢাকার হাসপাতালে পাঠাতে হয়। অথচ উপজেলা পর্যায়ে রোগ নির্ণয় নিশ্চিত করা গেলে ওপরের স্তরের হাসপাতালগুলোতে বাড়তি চাপ অনেকটাই কমে আসতো।’

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘উপজেলায় রোগ নির্ণয়ে বরাদ্দের বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে। বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে না হলেও যেখানে সংকট রয়েছে, সেখানে বাড়ানো হচ্ছে।’