
হামের সাম্প্রতিক টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে বড় ধরনের গরমিল সামনে এসেছে। ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশুদের মধ্যে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৮০ লাখ। অথচ একই বয়সের শিশুদের জন্য গত রোববার (২৮ জুন) শুরু হওয়া ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ কোটি ৪০ লাখেরও

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থী। ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও ইন্টার্নশিপ বন্ধ থাকায় তাদের ডিগ্রির গ্রহণযোগ্যতা হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সমাধানের খোঁজে সোমবার (২২ জুন) দুই অধিদপ্তরে ধরনা দিয়েও কোনো ক

ডেঙ্গু নির্ণয়ে কিট (শনাক্তকারী সরঞ্জাম) ব্যবহার করে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলো। তবে কার্যকারিতা যাচাই না করেই এসব কিটের অনুমোদন দিচ্ছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)। ফলে পরীক্ষায় ভুল রিপোর্টের সংখ্যা বাড়ছে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে সুস্থ হিসেবে দেখানোয় যথাসময়ে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রো

চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়া দেশে একটি স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। সামান্য মাথাব্যথা, গ্যাস্ট্রিক বা শরীর ব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ সেবন করেন অনেকে। তবে এমন প্রবণতা ধীরে ধীরে ডেকে আনছে কিডনি বিকল, লিভার অকার্যকরসহ নানা জটিল রোগ। শরীয়তপুরের বাসিন্দা আ

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে মাত্র ২৪টি শয্যা। কিন্তু গত ১১ জুন সরেজমিনে দেখা গেছে, সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছে ৪০ জন নবজাতক। বেশিরভাগ শয্যায় দুজন করে শিশু। আর এই স্পর্শকাতর ওয়ার্ডে নেই কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। ভরসা কেবল সিলিং ফ্যান। রাজধানীর আদ্-দ্বীন হা

হামের টিকা গ্রহণের দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শিশুদের শরীরে অ্যান্টিবডি (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) তৈরি হওয়ার কথা। কিন্তু টিকাদান শুরুর ৯ সপ্তাহ পরও সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। এ পরিস্থিতিতে টিকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞ ও জনস্বাস্থ্যবিদরা। টিকা পাওয়া শিশুদের রক্ত পরীক্ষা করে অ্যান্টিবডি তৈ

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মূল্য নির্ধারণে কোনো সরকারি নীতিমালা নেই। এই সুযোগে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ইচ্ছামতো দাম ঠিক করছে। গত তিন বছরে বেশির ভাগ পরীক্ষায় খরচ বেড়েছে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত। এই অরাজকতা থামাতে ২০২০ সালে সরকার উদ্যোগ নিলেও ছ

কয়েক দশকের মধ্যে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবে জর্জরিত দেশ। সরকারি হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬০৫ শিশু। এর মধ্যেই ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে মশাবাহিত ভাইরাস জ্বর ডেঙ্গু। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৫৫ জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়েছে। বুধবার (৩ জুন) পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন

দুই দিন পর পবিত্র ঈদুল আজহা। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে এরই মধ্যে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। তবে দেশের বিদ্যমান হাম পরিস্থিতিতে ঈদের ছুটিতে শিশুদের ব্যাপারে অভিভাবকদের সজাগ থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। এক্ষেত্রে হামে আক্রান্ত শিশুকে আত্মীয়ের বাড়িতে না নেওয়া এবং ভিড় এড়িয়ে চলার তাগিদ দিয়েছেন তা

দেশব্যাপী হামের প্রকোপ ঠেকাতে গত ৫ এপ্রিল ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে সরকার। তবে লক্ষ্যমাত্রার বেশি টিকা দেওয়া হলেও দেড় মাস পরও ‘উচ্চ সংক্রমণপ্রবণ’ অনেক উপজেলায় কমছে না রোগীর সংখ্যা। এখনও দৈনিক গড়ে প্রায় দেড় হাজার রোগী সরকারি হাসপাতালে আসছে। বেসরকারি হাসপাতালের হিসাব

একটু পরপর আইসিইউর (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) সামনে উঁকি দিচ্ছেন রায়হান হোসেন। তার উদ্বিগ্নতা ছেলের সুস্থতা নিয়ে। একটি আইসিইউ শয্যা যদি খালি হতো, তাহলে ছেলেকে ভর্তি করাতে পারবেন। কিন্তু সিরিয়াল দেওয়ার পর চার দিন পেরিয়ে গেছে, এখনো মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেই আইসিইউ। এদিকে চিকিৎসার খরচের ঘোড়া যখন ছুটছ

হামে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার খরচ মেটাতে অনেক পরিবারের হিমশিম অবস্থা। অনেকে খরচের চাপ সামলাতে না পেরে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান, খরচ কম হলেও পান না পর্যাপ্ত সরঞ্জাম। আবার অনেক পরিবার খরচ বেশি হলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালে যান। কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের গড় খরচ কত, সে বি

ডাক্তার ওষুধ লিখে দিয়ে গেছে, এখনও ওষুধ কিনতে পারি নাই। ইতোমধ্যে লাখ টাকার বেশি চলে গেছে। দুই বাচ্চার হাম নিয়ে এখনও হাসপাতালে। কবে সুস্থ হবে জানি না, এভাবে আর কত?— নিজের কষ্টের কথা এভাবেই জানাচ্ছিলেন হামে আক্রান্ত দুই শিশুর মা ফারজানা আক্তার। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাজধানীর শিশু হাসপাতালে হামের চি

প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ বিভিন্ন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪৪৩টি গাড়ি। একদিকে এসব গাড়ির জন্য তেলের সরবরাহ নেই। কোথাও আবার বেতন না পেয়ে চাকরি ছেড়েছেন চালকরা।

হঠাৎ জ্বর, পাতলা পায়খানা, শরীরে গুটি বসন্তের মতো দাগ। দফায় দফায় ওষুধ খাইয়েও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে আনা হয়েছে তিন মাস ১২ দিন বয়সী রাফাতকে। শিশুটি হামে আক্রান্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অথচ যার হাম প্রতিরোধী টিকা (এমআর১) নেওয়ার বয়সই এখনো হয়নি

দেশে হামে তিন শতাধিক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় এই রোগের টিকা নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গাফিলতিকে দুষছেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা। তবে এমন অভিযোগ মানতে নারাজ তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য) অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান।