পাকিস্তানের কাছে হারের কারণ জানালেন লিটন
-45336a-720x405.webp)
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে হারের পেছনে প্রস্তুতির ঘাটতি আর উইকেট সম্পর্কে ধারণা না থাকাকেই বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। তার মতে, ম্যাচের শুরুর দিকে উইকেটের আচরণ বুঝতে না পারায় ব্যাটিংয়ে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
বৃষ্টির কারণে ১৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১১ রান তোলে বাংলাদেশ। পরে পাকিস্তানকে ৫৩ রানে ৪ উইকেটে নামিয়েও চাপ ধরে রাখতে পারেনি তারা। ৯ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জিতে ফাইনালে ওঠে পাকিস্তান।
ম্যাচ শেষে লিটন বলেন, “একটা উইকেটে ২০ ওভারের ম্যাচ হলে সেটি কেমন আচরণ করে, সে সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। গত কয়েক দিনে এখানে কোনো ম্যাচ আমরা দেখিনি, উইকেটে অনুশীলনের সুযোগও পাইনি। তাই প্রথম কয়েক ওভার আমরা কোনো ধারণা ছাড়াই খেলেছি। ধীরে ধীরে ব্যাটসম্যানরা উইকেট বুঝতে পেরেছে।”
সেই না-বোঝার খেসারত শুরুতেই দিতে হয় বাংলাদেশকে। ৩.২ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর বিপর্যয় আরও বাড়ে। পরে তাওহীদ হৃদয়ের ২৫ বলে ৪২ রানের ইনিংসে লড়াইয়ে ফেরে দল।
হৃদয়ের ইনিংস এবং মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে তার জুটির প্রশংসা করেছেন লিটন। তিনি বলেন, “ওই অবস্থান থেকে দলকে ফেরানোর কৃতিত্ব হৃদয়ের। মোসাদ্দেক ও হৃদয়ের জুটিটাও খুব ভালো ছিল।”
বল হাতে বাংলাদেশের শুরুটাও আশা জাগিয়েছিল। পাকিস্তানের চার ব্যাটসম্যানকে ৫৩ রানের মধ্যে ফেরানোর পর ম্যাচ তখন সমতায়। কিন্তু হাসান নওয়াজ ও আবদুল সামাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে সেখান থেকেই ম্যাচ বের করে নেয় পাকিস্তান।
লিটনের আক্ষেপ সেখানেই। “মাঝের ওভারগুলোতে আরেকটু ভালো বোলিং করতে পারলে এবং কম ছক্কা দিলে আমাদের সুযোগটা আরও ভালো থাকত বলে মনে করি,” বলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
বিশেষ করে মোস্তাফিজুর রহমানের দুই ওভারে ৪১ রান দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে তাকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্তের পক্ষেই আছেন লিটন।
“অনেক বিকল্প ছিল। আজ মোস্তাফিজ যদি তিন উইকেট নিত, তাহলে এই প্রশ্নটা করতেন না। সে অনেক দিন ধরেই এই কাজ করছে। আমার মনে হয়েছে, মোস্তাফিজই সেরা বিকল্প এবং তাই তাকে ব্যবহার করেছি,” বলেন লিটন।
ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে জাপানে গিয়েছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের কাছে হেরে সেই স্বপ্ন শেষ হলেও পদকের আশা এখনো আছে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত ১২৪ রানে শ্রীলঙ্কাকে হারানোয় শনিবার ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
