এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা
সাভার থানা ফটক। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে বিস্ফোরণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

সোমবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাভার উপজেলা এনসিপির সদস্য সচিব সালামত উল্লাহ রনি সাভার মডেল থানায় মামলাটি করেন।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন সাংবাদিকদের জানান, পুলিশি নিরাপত্তায় তাদেরকে থানায় পৌঁছে দেওয়া হয়। সেখানে এজাহার দিয়েছেন।

তিনি বলেন, যারাই জড়িত থাকুক, আইনের আওতায় আনা হবে। কোনো কিছুই তদন্তের বাইরে রাখা হবে না।

এসপি শামীমা পারভীন বলেন, এটা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত। ঘটনার সঙ্গে-সঙ্গে সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা এনসিপি নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

এর আগে, সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে এনসিপির সমাবেশের সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণের পর সমাবেশে বক্তব্যে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, স্পষ্টভাবে আজকের এই বোমা বিস্ফোরণ প্রশাসনের সহায়তায় হয়েছে। কেন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? স্পষ্টভাবে আমাদেরকে খুন করার পরিকল্পনায় এখানে বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সাভার থেকে আমরা আগস্টে কর্মসূচি সমাপ্ত করছিলাম। তারা বিদ্যুৎ বন্ধ করে এখানে বোমা ফুটিয়েছে। প্রশাসনের সহায়তায় আজকের এই পদযাত্রাকে বন্ধ করার জন্য বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছে। এই সরকারকে, এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই- জবাব দিতে হবে। কেন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলেন না, তার জবাব দিতে হবে।

সমাবেশে বিস্ফোরণের ঘটনায় দলটির নেতাকর্মীরা সাভার থানার সামনে অবস্থান নেন। পরে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কয়েকজন থানার ভেতরে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। থানা থেকে বের হয়ে নাহিদ ইসলাম সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে আগামীকাল আপনাদের নিরাপত্তা দিতে পারবে না। সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা থাকবে না।

নাহিদ ইসলাম বলেন, মাদক-কারবারি সন্ত্রাসীরা সাভারের মতো একটা জায়গায় পুলিশের সামনে ককটেল ও বোমা মেরে পালিয়ে যেতে পেরেছে । তার মানে এটার পেছনে বড় কোনো গ্রুপ জড়িত বা রাজনৈতিকভাবে পরিকল্পিতভাবে এটা করেছে। প্রশাসনের সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে।

বিষয় :সাভার