সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করলে সংকট তৈরি হবে: রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করলে সংকট তৈরি হবে: রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের লোগো। ছবি: সংগৃহীত

সংবিধান সংস্কারের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে গতানুগতিক সংশোধনের পথে হাঁটার মাধ্যমে সরকার রাজনৈতিক প্রতারণার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে বলে মন্তব্য করেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।

সোমবার (১৪ জুলাই) দলটির সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সংবিধানের গতানুগতিক সংশোধন নয়, জুলাই অভ্যুত্থান এবং গণভোটের আকাঙ্ক্ষা দেশে মৌলিক সংবিধান সংস্কারের স্পষ্ট রায় দিয়েছে। এই পথ পরিত্যাগ করে সংশোধনীর দিকে যাওয়া জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি রাজনৈতিক প্রতারণার একটি নতুন ও নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের বিভিন্ন নজির থাকলেও গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের মতো জনগণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অস্বীকৃতির এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। সরকারের নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ সংসদে দাঁড়িয়ে পূর্বের প্রতিশ্রুতিগুলোকে নির্বাচনি কৌশল হিসেবে উল্লেখ করছেন। এ ধরনের বক্তব্য গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাবে।

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন আরও বলেছে, সংসদে দেওয়া কিছু বক্তব্য বিদ্যমান সংসদের বৈধতাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে এবং পরাজিত শক্তির বৈধতার দাবিকে পরোক্ষভাবে প্রতিষ্ঠা করছে।

বিবৃতিতে সরকারকে এই প্রক্রিয়া থেকে সরে এসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গণভোটের ম্যান্ডেট এবং ১৮০ দিনের সময়সীমার বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী দ্রুত একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় এর ফলে কোনো দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক বা আইনি সংকট তৈরি হলে তার দায় সরকারকেই বহন করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়।