আলী খামেনির জন্য ইরানিদের কাঁদতে দেখে হতবাক ট্রাম্প

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
আলী খামেনির জন্য ইরানিদের কাঁদতে দেখে হতবাক ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসল্লায় সমবেত হওয়া লাখো ইরানিরা তাদের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিয়োগে অঝোরে কান্না করছেন। আর তা দেখে রীতিমতো হতবাক হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ তিনি মনে করতেন, আলী খামেনিকে ইরানিরা ঘৃণা করেন। কিন্তু তার সেই ধারণা পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষবিদায়ের অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত হন আলী খামেনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ‘মরিয়া’। তবে খামেনির শেষবিদায়ের কারণে উভয়পক্ষ এক সপ্তাহের জন্য আলোচনা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, এই সময়ে কোনো পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা চালাবে না।

তিনি বলেন, ওরা সবাই সেখানে আছে। এক হামলায় আমরা সবাইকে শেষ করে দিতে পারি। কিন্তু তা করব না, কারণ তাহলে আলোচনার জন্য আর কেউ থাকবে না। আলী খামেনির জানাজায় অনেক ইরানিকে কাঁদতে দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন। তার ধারণা ছিল, ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করে। ট্রাম্প বলেন, ‘হয়তো ওটা ভুয়া কান্না’।

ট্রাম্প বলেছেন যে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হোয়াইট হাউসে বৈঠকের জন্য অনুরোধ করেছেন। বৈঠকটি আগামী সপ্তাহেই অনুষ্ঠিত হতে পারে। সংক্ষিপ্ত এক ফোনালাপে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। (নেতানিয়াহু) জানেন যে আসল বস কে।’

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৩ জুলাই) ট্রাম্পকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানান নেতানিয়াহু। এ সময় দুই নেতা শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে বৈঠকে বসতে রাজি হন।

এদিকে পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুরস্ক সফর থাকায় আগামী সপ্তাহে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা কম। তার দাবি, নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের বৈঠক ‘তার পরের সপ্তাহে’ অনুষ্ঠিত হতে পারে।