
-aaeb9c.jpg)
ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু ঘটনা আছে, যেগুলো শুধু মানুষের জীবন কেড়ে নেয়নি বরং এ ঘটনাগুলো বদলে দিয়েছে আমাদের সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি ও জীবনযাপনের ধরনও। ব্ল্যাক ডেথ (Black Death) বা কালো মৃত্যু তেমনই একটি ঘটনা। চতুর্দশ শতাব্দীতে ছড়িয়ে পড়ে এই ভয়াবহ মহামারি। ইউরোপের বিপুল মানুষ এসময় প্রাণ হারান। জনবসতিপূর্ণ

আজকের পুরান ঢাকা তখনকার মতোই ব্যস্ত ছিল, তবে শহরের চেহারা ছিল একেবারেই অন্যরকম। সদরঘাটে নিয়মিত নৌকা ও স্টিমার ভিড়ত। জজকোর্ট, ব্যাংক, সরকারি দপ্তর আর ইউরোপীয় বসতিকে ঘিরে জনসন রোড হয়ে উঠেছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা।

ইতিহাসের পাতায় বাংলার নবাবদের নাম আমরা অনেক শুনেছি। মুর্শিদ কুলি খান, আলীবর্দী খান, সিরাজউদ্দৌলা, মীর জাফর - তাদের যুদ্ধ, রাজনীতি, ক্ষমতার লড়াই কিংবা পলাশীর প্রান্তরের গল্পও কমবেশি সবার জানা।

ক্ষুধা লাগলেই রান্নাঘরে গিয়ে হাঁড়িতে পানি বসানো, কয়েক মিনিট অপেক্ষা করা, তারপর গরম গরম নুডলস খাওয়া—ব্যস্ত জীবনে ইনস্ট্যান্ট নুডলস এখন খুবই পরিচিত একটি খাবার। দোকানের তাক, সুপারশপ কিংবা রান্নাঘরের আলমারিতে থাকা ছোট একটি প্যাকেটের পেছনে যে একসময়কার বড় খাদ্যসংকটের গল্প রয়েছে, তা অনেকেরই অজানা।

ক্যালেন্ডারে তখন জুন মাস, গ্রীষ্মকাল চলছে। কিন্তু জানালার বাইরে তাকালে মনে হচ্ছে, শীত এখনও শেষ হয়নি। মাঠের ঘাসের ওপর বরফের আস্তরণ। গাছের পাতায় জমে আছে সাদা তুষার। বাতাসে গ্রীষ্মের উষ্ণতা নেই, বরং হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। কৃষকের চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল।

গভীর জঙ্গলে কাঠ কাটতে গিয়ে একদিন আলী বাবা দেখতে পেলেন একদল ঘোড়সওয়ারকে। তারা সাধারণ পথিক নয়, তারা চল্লিশ চোর। পাহাড়ের পাথুরে দেয়ালের সামনে এসে দলের নেতা উচ্চারণ করল একটি অদ্ভুত মন্ত্র। মুহূর্তেই খুলে গেল পাথরের দরজা। চোরেরা একে একে গুহার ভেতরে ঢুকে গেল। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে আবার সেই শব্দ উচ্চারণ কর

প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে সম্পাদিত এই শান্তিচুক্তি আজও বিশ্বকে মনে করিয়ে দেয় যে, শক্তির চেয়েও বড় শক্তি হলো সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা এবং শান্তির প্রতি অঙ্গীকার। তাই কাডেশ চুক্তি শুধু অতীতের একটি ঐতিহাসিক দলিল নয়, এটি মানবসভ্যতার শান্তি প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ যাত্রার এক উজ্জ্বল মাইলফলক।

পার্সেফোনির ছিলেন বসন্ত, তারুণ্য এবং নতুন জীবনের প্রতীক। তার স্বভাব ছিল কোমল, দয়ালু ও কৌতূহলী। দিনের বেশির ভাগ সময় তিনি সবুজ ঘাসে ঢাকা প্রান্তরে ঘুরে বেড়াতেন, নানা রঙের ফুল তুলতেন এবং তাঁর সঙ্গীদের সঙ্গে হাসি-আনন্দে সময় কাটাতেন।

একটি শিশু জন্মের পর থেকে বিভিন্ন সময় নিয়ম করে তাকে টিকা দিতে হয়। অনেক ধরনের অসুখ থেকে তাকে নিরাপদে রাখার জন্য টিকার বিকল্প নেই। পৃথিবীর অনেক দেশেই সরকারের ব্যবস্থাপনায় শিশুদের টিকা নিশ্চিত করা হয়।

চকলেট শুধু একটি সুস্বাদু খাবার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের আবেগ। একসময় যা ছিল রাজাদের পানীয়, আজ তা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবারগুলোর একটি। তবে যতই প্রিয় হোক, চকলেট খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমিতি বজায় রাখাই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস।

১৯৫০ সালের কথা। তিনশো টন কীটনাশক পদার্থ বোঝাই করে ভেনিজুয়েলার পুয়েরটো ক্যারেলো বন্দরের উদ্দেশে জর্জিয়ার সাভানা ত্যাগ করল তিনশো পঞ্চাশ ফুট দীর্ঘ মালবাহী জাহাজ ‘সান্ড্রা’, আটাশ জন লোক। কোনদিনই আর গন্তব্য স্থানে পৌঁছায়নি জাহাজটি। তাহলে গেল কোথায়? বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল কথা বলতে পারলে হয়ত তার উত্তর

খবরের কাগজে কিংবা মোবাইলের নিউজডিফডে এমন খবর আমরা দেখেছি ইদানীং। কোনো একজন মানুষ, নিজের ঘরেই মৃত অবস্থায় ছিলেন বেশ কয়েকদিন, কেউ কোনো খোঁজখবর পায়নি। হয়তো হঠাৎ অসুস্থতা, বার্ধক্য কিংবা আপনজনের অবহেলায় মৃত্যুর সময় পাশে কেউ ছিল না, তারপর বেশ কয়েকদিন পর উদ্ধার হয়েছে তার মৃতদেহ।

ভ্যাটিকানের পুরোনো এক লাইব্রেরির অন্ধকার আর্কাইভে শত শত বছর ধরে পড়ে ছিল একটি রহস্যময় বই। বইটির পাতাজুড়ে ছিল অদ্ভুত সব চিহ্ন আর অচেনা প্রতীক। কেউ সেটি পড়তে পারছিল না। ৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বইটি যেন নিজের ভেতরে লুকিয়ে রেখেছিল এক হারিয়ে যাওয়া পৃথিবীর গল্প। বইটির নাম ছিল বর্গ সাইফার।

নাম শুনে অবাক লাগে। সমুদ্র, সে আবার মৃত হয় কীভাবে? প্রশ্ন জাগে, কেবলই দেওয়ার জন্য এই নাম, নাকি পেছনে রয়েছে কোনো জটিল প্রাকৃতিক কারণ? জর্ডান ও ইসরায়েলের মাঝখানে অবস্থিত এই বিশাল লবণাক্ত হ্রদটি শুধু পর্যটকদের কাছেই নয়, বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের কাছেও সমান আকর্ষণের কেন্দ্র। নামটা হয়ত শুনেছেন

বিশ্বের সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয় ধর্ষণ। প্রায় সব দেশেই এর বিরুদ্ধে কঠোর আইন রয়েছে, তবে শাস্তির ধরন এক দেশ থেকে আরেক দেশে অনেক ভিন্ন। কোথাও মৃত্যুদণ্ড, কোথাও দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড, আবার কোথাও সামাজিক ও আইনি নিষেধাজ্ঞাসহ কঠোর কারাবাস দেওয়া হয়। চলুন আজ জেনে নিই ১০টি দেশের

আমাদের বাঙালিদের জন্য দিনটি নির্ধারিত, ১৪ এপ্রিল। বৈশাখের শুরু। বছর শেষের বিদায়ী সূর্যের আলো মিলিয়ে যাওয়া আর চৈত্রসংক্রান্তির সঙ্গে সঙ্গেই নববর্ষের আবহ চলে আসে বাংলার চারপাশে।