

চকলেট শুধু একটি সুস্বাদু খাবার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের আবেগ। একসময় যা ছিল রাজাদের পানীয়, আজ তা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবারগুলোর একটি। তবে যতই প্রিয় হোক, চকলেট খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমিতি বজায় রাখাই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস।

১৯৫০ সালের কথা। তিনশো টন কীটনাশক পদার্থ বোঝাই করে ভেনিজুয়েলার পুয়েরটো ক্যারেলো বন্দরের উদ্দেশে জর্জিয়ার সাভানা ত্যাগ করল তিনশো পঞ্চাশ ফুট দীর্ঘ মালবাহী জাহাজ ‘সান্ড্রা’, আটাশ জন লোক। কোনদিনই আর গন্তব্য স্থানে পৌঁছায়নি জাহাজটি। তাহলে গেল কোথায়? বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল কথা বলতে পারলে হয়ত তার উত্তর

খবরের কাগজে কিংবা মোবাইলের নিউজডিফডে এমন খবর আমরা দেখেছি ইদানীং। কোনো একজন মানুষ, নিজের ঘরেই মৃত অবস্থায় ছিলেন বেশ কয়েকদিন, কেউ কোনো খোঁজখবর পায়নি। হয়তো হঠাৎ অসুস্থতা, বার্ধক্য কিংবা আপনজনের অবহেলায় মৃত্যুর সময় পাশে কেউ ছিল না, তারপর বেশ কয়েকদিন পর উদ্ধার হয়েছে তার মৃতদেহ।

ভ্যাটিকানের পুরোনো এক লাইব্রেরির অন্ধকার আর্কাইভে শত শত বছর ধরে পড়ে ছিল একটি রহস্যময় বই। বইটির পাতাজুড়ে ছিল অদ্ভুত সব চিহ্ন আর অচেনা প্রতীক। কেউ সেটি পড়তে পারছিল না। ৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বইটি যেন নিজের ভেতরে লুকিয়ে রেখেছিল এক হারিয়ে যাওয়া পৃথিবীর গল্প। বইটির নাম ছিল বর্গ সাইফার।

নাম শুনে অবাক লাগে। সমুদ্র, সে আবার মৃত হয় কীভাবে? প্রশ্ন জাগে, কেবলই দেওয়ার জন্য এই নাম, নাকি পেছনে রয়েছে কোনো জটিল প্রাকৃতিক কারণ? জর্ডান ও ইসরায়েলের মাঝখানে অবস্থিত এই বিশাল লবণাক্ত হ্রদটি শুধু পর্যটকদের কাছেই নয়, বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের কাছেও সমান আকর্ষণের কেন্দ্র। নামটা হয়ত শুনেছেন

বিশ্বের সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয় ধর্ষণ। প্রায় সব দেশেই এর বিরুদ্ধে কঠোর আইন রয়েছে, তবে শাস্তির ধরন এক দেশ থেকে আরেক দেশে অনেক ভিন্ন। কোথাও মৃত্যুদণ্ড, কোথাও দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড, আবার কোথাও সামাজিক ও আইনি নিষেধাজ্ঞাসহ কঠোর কারাবাস দেওয়া হয়। চলুন আজ জেনে নিই ১০টি দেশের

আমাদের বাঙালিদের জন্য দিনটি নির্ধারিত, ১৪ এপ্রিল। বৈশাখের শুরু। বছর শেষের বিদায়ী সূর্যের আলো মিলিয়ে যাওয়া আর চৈত্রসংক্রান্তির সঙ্গে সঙ্গেই নববর্ষের আবহ চলে আসে বাংলার চারপাশে।

প্রাচীন ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু চরিত্র আছে, যাদের নাম শুনলেই কৌতূহল জাগে। প্রাচীন মিশরের ক্লিওপেট্রা তাদেরই একজন। তাকে ঘিরে আছে রহস্য, প্রেম, রাজনীতি আর ক্ষমতার গল্প।

আধুনিক অ্যালার্ম ক্লক না থাকলেও মানুষ সময়মতো ঘুম ভাঙানোর জন্য নানা কৌশল বের করেছিল বহু আগে থেকেই। শিল্পযুগের ব্রিটেন থেকে প্রাচীন চীনের মোমের ঘড়ি; ইতিহাসে মানুষকে জাগানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে অবিশ্বাস্যভাবে সৃজনশীল যন্ত্র ও পদ্ধতি।

মধ্যযুগে জাপানে উদ্ভব হওয়া সামুরাইদের গল্প বহুদিন ধরেই মানুষকে মুগ্ধ করে এসেছে। ইতিহাস, শিল্প, সাহিত্য, সিনেমা এবং আধুনিক সংস্কৃতিতে তাদের উপস্থিতি খুবই শক্তিশালী।