মোটরসাইকেল চুরি করে পালানোর সময় পুলিশ সার্জেন্টের হাতে ধরা

রাজধানীর বিমানবন্দরে মোটরসাইকেল চুরি করে পালানোর সময় একজন চোরকে আটক করেছে ট্রাফিক পুলিশ। চোরের নাম আরিফুল ইসলাম সাগর (৩০)।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ৯টার দিকে বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া আরিফুল মোটরসাইকেল চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। সে ময়মনসিংহের নান্দাইল থানাধীন কাকচর গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে।
এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের বিমানবন্দর জোনের সার্জেন্ট মশিউর রহমান এশিয়া পোস্টকে বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় ডিউটি করছিলাম। মোটরসাইকেলটি দেখে আমার কিছুটা সন্দেহ হয়। যার কারণে আমি সিগন্যাল দিয়ে থামানোর পর চালক আরিফুল ইসলাম সাগরের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দেয়।
তিনি বলেন, সে গাড়ি রেখেই একপাশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। তখন আমি গাড়ির মালিক কে জানতে চাইলে আরিফ দাবি করে গাড়িটি তার। কিন্তু সে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারছিল না। ওই সময় আমি গাড়ির নম্বর সার্চ করে মালিকের ফোন নম্বর বের করার চেষ্টা করতেই সে হঠাৎ দৌড়াতে শুরু করে।
সার্জেন্ট মশিউর আরও বলেন, এরপর আমি তার পেছনে পেছনে প্রায় আধা কিলোমিটার দৌড়ে রেলস্টেশনের কাছ থেকে আরিফুলকে ধরে ফেলি।
আটক করার পর আরিফুল স্বীকার করেছে যে মোটরসাইকেলটি চোরাই। সেটি বিক্রির উদ্দেশ্যে টঙ্গীতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলেও জানান সার্জেন্ট মশিউর।
আটক হওয়া আরিফুল ইসলাম সাগর এশিয়া পোস্টের কাছে দাবি করে, আমি খিলক্ষেতে গিয়েছিলাম। সেখানে রাশেদ নামের একজন আমাকে এই সাদা হাংক মোটরসাইকেলটি দেয়। গাড়িটি টঙ্গী পৌঁছে দিলে আমাকে ছয় হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
এক প্রশ্নের জবাবে আরিফ বলে, গাড়িটি রাশেদ চুরি করেছে। এর কোনো কাগজপত্র আমার কাছে নেই।
মোটরসাইকেলসহ আসামিকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর তার পিসিপিআর (পূর্ববর্তী অপরাধের রেকর্ড) তল্লাশি করে পুলিশ।
পরে সার্জেন্ট মশিউর রহমান এশিয়া পোস্টকে বলেন, আরিফুল মূলত মোটরসাইকেল ও বাসা-বাড়ির চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে একটি এবং বসুন্ধরার একটি বাসা থেকে ১০ ভরি স্বর্ণ চুরির অভিযোগে আরও একটি মামলা রয়েছে।
সার্জেন্ট মশিউর জানান, এ ঘটনায় তিনি নিজে বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি নতুন মামলা দায়ের করছেন।






