খাল খনন শেষে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় খাল খনন ও পুনঃখনন শেষে বরাদ্দকৃত অর্থের প্রায় অর্ধেক সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচির আওতায় উপজেলার মহিষাখালী ও গঙ্গাজলী খালের খনন ও পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলা কর্ণধার কমিটির অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী মহিষাখালী খালের ১ দশমিক ৬২০ কিলোমিটার এবং গঙ্গাজলী খালের ২ দশমিক ১০০ কিলোমিটারসহ মোট ৩ দশমিক ৭২০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়।
প্রকল্পের জন্য সরকার ৯৫ লাখ ৮৭ হাজার ৩৩ টাকা বরাদ্দ দেয়। উপজেলা প্রশাসনের দক্ষ পরিকল্পনা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯৯৬ টাকা সাশ্রয় করে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বক্ষণিক তদারকি, মাঠপর্যায়ের নিবিড় মনিটরিং এবং সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কর্মসূচিটি নির্ধারিত মান বজায় রেখে সময়মতো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকল্পের সমাপ্তি প্রতিবেদন ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
মনোহরদী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদরুল ইসলাম মোল্লা (বাবুল) বলেন, সরকারি প্রকল্পে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করে বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এটি প্রমাণ করে যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হলে উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি জনগণের অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব। আমি উপজেলা প্রশাসন ও ইউএনও মহোদয়কে সাধুবাদ জানাই।
মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম এ মুহাইমিন আল জিহান বলেন, এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের আন্তরিক সহযোগিতা, মাঠপর্যায়ের নিবিড় তদারকি ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল নির্ধারিত মান বজায় রেখে জনস্বার্থে সর্বোচ্চ সুফল এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা। কাজ শেষে সাশ্রয় হওয়া পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
.png)





