একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম, বেঁচে রইল এক ছেলে

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক প্রসূতি একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তবে অকাল প্রসব এবং অত্যন্ত কম ওজনের কারণে জন্মের কিছুক্ষণের মধ্যেই চার নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে জীবিত থাকা একমাত্র ছেলে শিশুটিকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. শিপ্রা ব্যানার্জি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা মাহামুদুল হাসান ডলারের সঙ্গে দেড় বছর আগে একই উপজেলার বড় কাজুলী গ্রামের চাঁদনী বেগমের বিয়ে হয়। মাহামুদুল হাসান বর্তমানে সিঙ্গাপুর যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
গর্ভধারণের পর চিকিৎসকের পরামর্শ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা গিয়েছিল চাঁদনীর গর্ভে পাঁচটি সন্তান রয়েছে। এই খবর পরিবারে আনন্দের বন্যা বয়ে আনলেও অকাল প্রসবের কারণে সেই আনন্দ শেষ পর্যন্ত বিষাদে রূপ নেয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রসববেদনা শুরু হলে চাঁদনী বেগমকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ৫০ মিনিটের মধ্যে হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে কোনো প্রকার অস্ত্রোপচার (সিজার) ছাড়াই একে একে পাঁচটি সন্তানের জন্ম হয়। নবজাতকদের মধ্যে তিনটি ছেলে ও দুটি মেয়ে ছিল।
ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স রিয়া বিশ্বাস জানান, পাঁচ শিশুর চার জন বৃহস্পতিবার বিভিন্ন সময়ে মারা যায়। সর্বশেষ একজন ছেলে মারা যায় ভোরের দিকে। বর্তমানে একটি ছেলে সন্তান জীবিত রয়েছে।





