Advertisement

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর দল থেকেও বহিষ্কার এনসিপি নেতা

এশিয়া পোস্ট নিউজ, গাইবান্ধা
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর দল থেকেও বহিষ্কার এনসিপি নেতা
শাকিল মিয়া ওরফে শাকিল খান। ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ইয়াবাসহ শাকিল মিয়া ওরফে শাকিল খান (২৬) নামে স্থানীয় এক এনসিপির নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর তাকে দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সুন্দরগঞ্জ থানার কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সেলিম রেজা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার শাকিল মিয়া উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম সীচা (হাজী পাড়া) গ্রামের মো. নূর মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি এনসিপির সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার সহসাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, রোববার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর বাজারে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ধর্মপুর বাজারের জোবেদা ফিলিং স্টেশনের ক্যাশ কাউন্টারের পাশের ফাঁকা জায়গায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে শাকিলকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার প্যান্টের পকেট থেকে পলিথিনে মোড়ানো আট পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এসআই মো. নওশের আলী বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন।

কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সেলিম রেজা বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাকিল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে আট পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর শাকিল খানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সোমবার বিকেলে গাইবান্ধা জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তর) রাশেদুল ইসলাম জুয়েল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শাকিল খানের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার কর্মকাণ্ড দলের নীতি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এ কারণে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার সহসাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।

গাইবান্ধা জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব চৌধুরী রাহাত ইবনে শহীদের যৌথ সিদ্ধান্তে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।