মাগুরায় মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় এক মাদক কারবারিকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করার জেরে বিএনপির স্থানীয় দুটি পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে আটজনকে।
সোমবার (২২ জুন) মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উপজেলার কানুটিয়া বাজারে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাজারের কয়েকটি দোকান ও স্থানীয় বসতঘর ভাঙচুর করা হয়।
আহতদের মধ্যে ফাহিম, তামিম, ফাহাদ ও আশরাফ শেখসহ কয়েকজনকে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন গাঁজা বিক্রির সময় স্থানীয়রা রবি নামে এক মাদক কারবারিকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এর জেরে স্থানীয় বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। রোববার সন্ধ্যায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বাইজিদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি পক্ষ কানুটিয়া বাজারে মহড়া দেয়।
বাইজিদের নেতৃত্বে কয়েকশ লোক বাজারে জড়ো হলে কানুটিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. লিয়াকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন পক্ষ বাধা দেয়। এতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে লিয়াকত হোসেন জানান, বাইজিদ হোসেন কানুটিয়া বাজারে কয়েকশ লোক নিয়ে এসে স্থানীয়দের ওপর হামলা চালালে জনগণ তাদের প্রতিরোধ করেছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে বাইজিদ হোসেন বলেন, রবি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন। সে ভালো ছেলে। তাকে মিথ্যা অভিযোগে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জানতে গেলে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালানো হয়। তারা আমার বাড়িতে ভাঙচুর করেছে।
মহম্মদপুর থানার ওসি শামীম হোসেন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে আটজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







