logo

হনুমান পাচারে আন্তর্জাতিক চক্র, ৫ হাজারে কিনে বিক্রি লাখ টাকায়

লোকমান হাকিম
কক্সবাজার
হনুমান পাচারে আন্তর্জাতিক চক্র, ৫ হাজারে কিনে বিক্রি লাখ টাকায়
উদ্ধার হওয়া মুখপোড়া হনুমান। ছবি : এশিয়া পোস্ট

কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের পাহাড়ি বন থেকে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে মুখপোড়া হনুমান। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণবিষয়ক সংস্থা আইইউসিএনের লাল তালিকায় থাকা এই প্রাণী শিকার করে কয়েক দফা হাতবদলের পর ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাচার করা হচ্ছে। স্থানীয় শিকারি থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম ও ঢাকাকেন্দ্রিক একটি চক্রের মাধ্যমে এসব প্রাণী পাচার করা হয় বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া গেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সদস্য ও বন্যপ্রাণী পাচারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হনুমান ধরার পর স্থানীয় চক্রের কাছ থেকে প্রতিটি প্রাণী ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায় কেনা হয়। পরে চট্টগ্রাম ও ঢাকা হয়ে সীমান্তপথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়। সেখানে প্রাণীটির আকার, স্বাস্থ্য ও প্রজাতিভেদে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম পাওয়া যায়।

জানতে চাইলে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসিম মল্লিক এশিয়া পোস্টকে বলেন, মহেশখালীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হনুমানের বেশির ভাগই ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পাচার হয়। সেখানে বাসাবাড়ি ও চিড়িয়াখানায় হনুমানের চাহিদা বেশি। ভারত ছাড়াও চীন, কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে বন্যপ্রাণী পাচারের তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

অসিম মল্লিক বলেন, মাঠপর্যায়ে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায় কেনা একটি হনুমান পাচারকারীরা ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। পাচারের আগে অনেক সময় পাহাড়ি এলাকায় প্রাণীগুলো মজুত করে রাখা হয়।

মহেশখালীর স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে মহেশখালী থেকে অন্তত ২০০টি হনুমান পাচার হয়েছে। বন বিভাগ বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৫০টি হনুমান উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করেছে। এসব ঘটনায় করা দুটি মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাঁরা ১৫ দিনের ব্যবধানে মুক্তি পান।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মহেশখালী শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, মহেশখালীর পাহাড়ে একসময় নানা ধরনের বন্যপ্রাণী ছিল। এখন সেগুলোর সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায়। আশ্চর্যের বিষয়, যেসব বন্যপ্রাণী এখনও আছে, সেগুলোও পাচার হচ্ছে।

মহেশখালীর বন থেকে বন্যপ্রাণী হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. ফরিদ আহসান এশিয়া পোস্টকে বলেন, মহেশখালী একসময় মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সে কারণে সেখানে হনুমানসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি রয়েছে। ১৯৮৭ সালেও তিনি মহেশখালীতে এসব প্রাণী দেখেছেন।

তিনি বলেন, একটি প্রাণী যখন বিপন্ন হয়ে পড়ে, তখন প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হয়। এসব প্রাণী প্রকৃতির নানা কাজে ভূমিকা রাখে। কিন্তু সেই উপকার চোখে দেখা যায় না বলে মানুষ নির্বিচারে শিকার করে।

খাঁচা ভর্তি মুখপোড়া হনুমান। ছবি : এশিয়া পোস্ট
খাঁচা ভর্তি মুখপোড়া হনুমান। ছবি : এশিয়া পোস্ট

মহেশখালীর শাপলাপুরে মুখপোড়া হনুমান পাচারের ঘটনা সামনে আসে ২০২৪ সালের নভেম্বরে। ওই সময় বন বিভাগের পৃথক দুটি অভিযানে ২৫টি মুখপোড়া হনুমান উদ্ধার করা হয়। এরপর স্থানীয় বাহক, শিকারি ও পাচারচক্রের সদস্যদের সঙ্গে পাঁচ দফায় কথা হয় এই প্রতিবেদকের।

পাচারচক্রের সদস্যদের দেওয়া তথ্য বলছে, হনুমান ধরার কাজটি করা হয় কয়েকটি ধাপে। দিনের বেলায় পাহাড়ে হনুমানের চলাচল ও অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা হয়। এরপর রাতে টর্চের আলোয় ঘুমন্ত হনুমান ধরে বস্তা বা খাঁচায় বন্দী করা হয়। পরে আলাদা দলের মাধ্যমে সেগুলো চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয় বলে জানান চক্রের সদস্যরা।

সম্প্রতি জুলাই ও আগস্টে শাপলাপুরের বারিয়াছড়ি ও মিঠাছড়ি এলাকায় পাচারচক্রের দুই সদস্যের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তবে নিরাপত্তার কারণে তাদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

৩৫ বছর বয়সী এক পাচারকারী জানান, প্রায় তিন বছর আগে তিনি আলীকদমে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন। একদিন তার গাড়িতে তিনজন ব্যক্তি পাঁচটি মুখপোড়া হনুমান পরিবহন করেন। ওই ঘটনার পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়। পরে নিজেই এই কাজে যুক্ত হন বলে জানান তিনি।

ওই ব্যক্তি বলেন, দিনের বেলায় পাহাড়ে হনুমানের গতিবিধি দেখা হয়। রাতে টর্চের আলোয় ঘুমন্ত হনুমান ধরে বস্তাবন্দী করা হতো। শক্ত করে ধরতে না পারলে প্রাণীগুলো পালিয়ে যায়, নয়তো কামড় দেয়।

তার বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথম দফায় তিনটি এবং পরে পাঁচটি হনুমান প্রতিটি ৫ হাজার টাকা করে বিক্রি করেন। প্রথম চালান রাতে মহেশখালী থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। দ্বিতীয়বার পাচারকারীদের পাঠানো গাড়িতে প্রাণীগুলো তুলে দেওয়া হয়। পরে পাঁচটি হনুমানসহ চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি।

ওই পাচারকারী আরও জানান, স্থানীয় কয়েকজন যুবক একবার ঢাকাভিত্তিক পাচারচক্রের সদস্যদের বহনকারী একটি গাড়ি আটকে তাদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। পরে তারাও এই কাজে জড়িয়ে পড়েন। উদ্ধার হওয়া ১৭টি মুখপোড়া হনুমানও ঢাকার একটি চক্রের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

৩২ বছর বয়সী আরেক পাচারকারী বলেন, গোরকঘাটা ও ছোট মহেশখালীকেন্দ্রিক একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচারের সঙ্গে যুক্ত। তারা পাহাড়ি কচ্ছপসহ বিভিন্ন প্রাণী সংগ্রহ করে।

মুখপোড়া হনুমান সম্পর্কে তিনি বলেন, এসব প্রাণী সহজে পাওয়া যায় না। ধরার পর জোড়া মিলিয়ে রাখতে হয়। শরীরে সামান্য ক্ষত থাকলেও ক্রেতারা নিতে চান না। বিক্রির আগে আঙুর, আপেলসহ বিভিন্ন ফল খাইয়ে প্রাণীগুলোকে সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান রাখা হয়।

শুধু মহেশখালী নয়, আলীকদম, থানচি ও ভাওয়াল বন থেকেও হনুমান সংগ্রহ করা হয় বলে জানান তিনি।

শিকারে ব্যবহার হয় ইলিশ জাল

২০২৪ সালে মুখপোড়া হনুমান উদ্ধারের একটি অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া বিট কর্মকর্তা নুরুল আলম বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে পাচারকারীরা নিয়মিত রুট পরিবর্তন করেন। অ্যাম্বুলেন্স, কালো হাইয়েস, ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করতেন তারা। এমনকি বিট অফিসের আশপাশেও তাঁদের লোকজন নজরদারি করতেন।

শাপলাপুরের মিঠাছড়ি এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, নাকাটার মোড় ও কালামাদিয়া এলাকায় সবচেয়ে বেশি হনুমান শিকার করা হয়েছে। এ ছাড়া বারিয়াছড়ি, জামেরছড়ি, মৌলভীকাটা ও দিনেশপুরের জামবাগানে পাচারচক্রের সদস্যরা সক্রিয়।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর শাপলাপুরের উত্তর বারিয়াছড়ি এলাকায় বাসিন্দা আবদুল মালেকের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, প্রথমে চক্রটি সংগঠিতভাবে হনুমান পাচার করলেও পরবর্তী সময়ে তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে যায়। বিভিন্ন অভিযানের পর কয়েকজন সদস্য সাগরপথে মালয়েশিয়া পাড়ি জমিয়েছেন।

বাসিন্দা বাদশা মিয়া বলেন, অনেকেই এটিকে পেশা হিসেবে নিয়েছিলেন। কেউ কেউ দৈনিক এক থেকে দেড় হাজার টাকার বিনিময়ে শিকার ও পরিবহনের কাজে যুক্ত হন। আমরা প্রথমে মনে করতাম, হনুমান ধরে ভালোই হচ্ছে। পরে বুঝতে পারি, এটি অপরাধ। পাচারকারীরা ইলিশ জাল নিয়ে ধাওয়া দিয়ে প্রাণীগুলো শিকার করতেন।

আরেক বাসিন্দা নুরুল কবির বলেন, স্থানীয় কিছু মানুষ শ্রমিক হিসেবেও কাজ করতেন। তারা বুঝতেন না যে এটি অপরাধ। এখানকার পুরো সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন হেলাল। আর যারা পাচারে যুক্ত ছিলেন, তারা সিএনজি, অ্যাম্বুলেন্স, হাইয়েস ও খালি ট্রাক চালাতেন।

স্থানীয় শিকারি থেকে আন্তর্জাতিক চক্র

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য বলছে, মুখপোড়া হনুমান পাচারের অন্যতম হোতা ঢাকার বসুন্ধরা এলাকার হাদিসুর রহমান (৪২) ওরফে নিরব এবং চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট বন্দরের পীর আলী বার্ডসের মালিক মো. হেলাল। তাদের কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম, লোহাগাড়া, লামা, আলীকদম, চকরিয়া ও মহেশখালীর ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে।

কক্সবাজার উপকূলীয় বন বিভাগের তথ্য বলছে, শাপলাপুরের বারিয়াছড়ি এলাকার রিফাত, মানিক, মোশারফ, হেলাল ও ছোটনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে একটি পাচারচক্র গড়ে উঠেছে। তাঁদের মধ্যে মোশারফ স্থানীয় এক বিএনপি নেতার আত্মীয়। ওই নেতার বাড়িতে মজুত রাখা আটটি হনুমান উদ্ধার করেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য বলছে, চট্টগ্রামের চন্দনাইশের ধোপাছড়ির আরিফ মিয়া ওরফে সাইফুল, আবদুল আলীম ও নাসির উদ্দিন, আলীকদম বাজারের উত্তম, বিকাশ, মোবারক ও বাবুল, চকরিয়ার দীপক এবং খুলনার সোনাডাঙ্গার জাহিদের নামও পাচারের সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে বিকাশ ও দীপক কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, হাদিসুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে বন্য পাখি পাচারের একটি মামলা হয়েছিল। ওই মামলায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে নিষ্পত্তি হয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ছয়টি হনুমান পাচারের ঘটনায় করা আরেকটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন।

সর্বশেষ চলতি বছরের ৮ ও ৯ জুন পৃথক দুটি অভিযানে ৫৫টি বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী উদ্ধারের ঘটনায়ও তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে চট্টগ্রাম বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ এবং বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

ঢাকায় উদ্ধার হওয়া বস্তা ভর্তি মুখপোড়া হনুমান। ছবি : এশিয়া পোস্ট
ঢাকায় উদ্ধার হওয়া বস্তা ভর্তি মুখপোড়া হনুমান। ছবি : এশিয়া পোস্ট

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসিম মল্লিক বলেন, ইন্টারপোল ও ভারতের ওয়াইল্ডলাইফ কন্ট্রোল বিভাগের পক্ষ থেকেও হাদিসুর রহমানের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী পাচারের একাধিক তথ্য বাংলাদেশ সরকারকে দেওয়া হয়েছে।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসিম মল্লিক বলেন, মুখপোড়া হনুমানের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়ি কচ্ছপ পাচারের ঘটনাও বেশি ধরা পড়ছে। এসব কচ্ছপের চাহিদা চীনে বেশি। পাচারকারীরা আকাশ ও স্থল দুই পথই ব্যবহার করে। একটি চক্র শনাক্ত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে ইন্টারপোলের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান চলছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি শাখা ও ইন্টারপোলের বাংলাদেশে দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা এশিয়া পোস্টকে বলেন, বন্যপ্রাণী পাচার রোধে বন বিভাগ ও বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট কাজ করছে। বিমানবন্দর দিয়ে বৈধ ও অবৈধ দুইভাবেই বন্যপ্রাণী পাচারের চেষ্টা হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহজনক প্রাণী উদ্ধার ও পাচারকারীদের আটকের কাজ করা হয়।

তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী শনাক্ত করার জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি পৃথক ইউনিট গঠনের বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বারবার তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। কক্সবাজারের বনাঞ্চলে ইন্টারপোলের গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহসান বলেন, সরকার ২০২৬ সালে নতুন আইন করেছে। এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বন বিভাগের দায়িত্ব হচ্ছে আইনটি যথাযথভাবে প্রয়োগ করা।

শাপলাপুরের বিট কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র সরকার বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর স্থানীয় মানুষ ও বন বিভাগের কর্মীদের প্রাণী পাচার ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করতে বলেছেন। তবে তার ৪৩ একর বন পাহারায় রয়েছেন মাত্র সাতজন কর্মকর্তা-কর্মচারী।