‘মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অনুভূতি হলো ভালোবাসা’

এশিয়া পোস্ট বিনোদন
‘মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অনুভূতি হলো ভালোবাসা’
বলিউড অভিনেত্রী এশা দেওল।

বলিউডের কিংবদন্তি দম্পতি ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর মেয়ে এশা দেওল। বাবা-মায়ের দেখানো পথেই হাঁটেন তিনি, পর্দায় পেয়ে যান সাফল্যও। তবে ২০১২ সালে ব্যবসায়ী ভারত তখতানির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার পর ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এই অভিনেত্রী। মনোযোগ দেন দুই কন্যাসন্তান আর সংসারে। কিন্তু দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসার ২০২৪ সালে এসে ভেঙে যায়। হঠাৎ করেই বদলে যায় এশার জীবন, সঙ্গী হয় একাকিত্ব। খবর: নিউজ ১

Advertisement

এশা দেওল।
এশা দেওল।

বিবাহবিচ্ছেদের পর জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে এসে নিজের শূন্যতা আর একাকিত্ব নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছেন এশা। তার মতে, মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অনুভূতি হলো ভালোবাসা এবং রোমান্স। আর জীবনের এই পর্যায়টিতে এসেই তিনি তীব্রভাবে সেই ভালোবাসার অভাব বোধ করছেন। প্রেমে পড়তে, প্রেমের গান শুনতে কিংবা প্রেমের গল্পে মগ্ন থাকতে বরাবরই ভালোবাসেন এই অভিনেত্রী।

দুই মেয়ের সঙ্গে এশা দেওল।
দুই মেয়ের সঙ্গে এশা দেওল।

তবে সংসার ভাঙলেও ভালোবাসা বা সম্পর্কের প্রতি এশার চিরচেনা বিশ্বাস কিন্তু একবিন্দুও টলেনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিচ্ছেদ বা প্রেম ভাঙা জীবনেরই অংশ, অতীতেও আমার এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে। কিন্তু তাতে ভালোবাসার মূল অনুভূতি কখনো মলিন হয়ে যায় না। বিশেষ করে শৈশব থেকে নিজের বাবা-মায়ের (ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী) যে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার রূপ দেখে বড় হয়েছি, সেটাই আমার কাছে প্রেমের চিরন্তন উদাহরণ হয়ে আছে। এছাড়া মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অনুভূতি হলো ভালোবাসা’

ভারত তখতানির সঙ্গে বিচ্ছেদের মতো কঠিন সময়ে নিজের পরিবারকে সবসময় পাশে পেয়েছেন এশা। তবে পুরো বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এবং সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই বিচ্ছেদ নিয়ে কাদা-ছোড়াছুড়ি করতে চাননি কোনো পক্ষই। এ নিয়ে এশা বলেন, ‘পেশাগত কারণে আমাদের জীবনটা সবার সামনে চলে এলেও, আমরা ব্যক্তিগত বিষয়গুলো আড়ালেই রাখতে চেয়েছি। কারণ এই সময়ে প্রতিটি পদক্ষেপ খুব সাবধানে ফেলতে হয়।’

২০২৪ সালে কোনো কারণ প্রকাশ না করেই যৌথ সম্মতিতে আলাদা হয়ে যান এশা ও ভারত।
২০২৪ সালে কোনো কারণ প্রকাশ না করেই যৌথ সম্মতিতে আলাদা হয়ে যান এশা ও ভারত।

২০২৪ সালে কোনো কারণ প্রকাশ না করেই যৌথ সম্মতিতে আলাদা হয়ে যান এশা ও ভারত। দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটলেও দুই মেয়ের কথা চিন্তা করে তাদের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কটুকু অবশ্য এখনও বজায় রেখেছেন এই সাবেক দম্পতি।