গাঢ় বেগুনিতে চোখ ধাঁধানো ফটোশুট সাফা কবিরের

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল সাফা কবিরের এই ছবিতে ফুটে উঠেছে তার অনবদ্য সৌন্দর্য। একটি গাঢ় বেগুনি পোশাকে সেজেছেন তিনি। তার হাত ও মুখে প্রতিফলিত হচ্ছে তার অসাধারণ সৌন্দর্য, যা এক স্বপ্নিল আবেশ তৈরি করেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিজের ফেসবুকে দেওয়া একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন,‘আজ রাতের জন্য বেছে নিলাম গাঢ় বেগুনি সাজ, বাকি গল্পটা বলুক পোশাকের জমকালো দ্যুতিই।’

সিঁড়ির পাশে দাঁড়ানো সাফার এই ক্ল্যাসিক পোজটিতে তাঁর সাজগোজের আভিজাত্য পুরোপুরি ফুটে উঠেছে। স্লিভলেস হাই-নেক ব্লাউজের কলার লাইনে থাকা রুপালি সুতোর এমব্রয়ডারি শাড়ির পাড়ের কাজের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে গেছে।

সাফা তার চুলগুলোকে আলতো করে বেঁধে একটি উঁচু খোপা করেছেন, যা তার ঘাড় এবং পিঠের অংশকে আরও ফুটিয়ে তুলেছে। কানে পরেছেন ভারী রুপালি ঝুমকো, যা পোশাকের সৌন্দর্যের সাথে দারুণভাবে মানিয়ে গেছে।

সাফা কবির কেবল একজন বাংলাদেশি অভিনেত্রী নন, একাধারে তিনি একজন মডেল, গল্পকার, চিত্রনাট্যকার, রেডিও জকি এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ভক্ত সংখ্যা অনেকের চোখ কপালে তুলে দেবার জন্য যথেষ্ট। ফেসবুকে তার ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় মিলিয়ন, এতো ফলোয়ার বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়েকজনের আছে।

ছোট পর্দার তারকা সাফা কবিরের বিনোদন ক্যারিয়ারের শুরুটা হয়েছিল নির্মাতা আদনান আল রাজীবের ‘এইটটিন অল টাইম দৌঁড়ের উপর’ টেলিফিল্মের হাত ধরে। এই কাজের মাধ্যমেই অভিনয় জগতে পা রাখেন তৌসিফ মাহবুব ও শবনম ফারিয়াও। অভিনয়ে আসার আগে তারা সবাই মূলত মডেলিং করতেন।

প্রথম কাজেই বাজিমাত করেন এই তিন তারকা, নাটকটি দর্শক মহলে দারুণ সাড়া ফেলে। এর পরেই তরুণ প্রজন্মের কাছে রাতারাতি তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন সাফা। মূলত গালের মিষ্টি টোল পড়া হাসি, রুচিশীল লাইফস্টাইল, মার্জিত ব্যবহার এবং ফ্যাশন সচেতনতাই তাকে তরুণদের মাঝে অন্যতম ‘ক্রাশ’ ও আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি ম্যাচটি উপভোগ করেন সাফা কবির। ব্রাজিলের পরাজয় ও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর স্টেডিয়ামের বাইরে থেকে একটি নিজের ভিডিও প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। দেখা যায়, ব্রাজিলের জার্সির ওপর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কাঁধে জড়িয়ে হেঁটে যাচ্ছেন তিনি। চোখের সানগ্লাস ও বিষণ্ণ মনে ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মুহূর্তে মন ভালো নেই, দুঃখজনক। তবে আগামী বিশ্বকাপে ইনশাআল্লাহ, আগামী বিশ্বকাপে আমরা আসব।’




