নাহিদের ৬ উইকেটে বাংলাদেশের সামনে সহজ লক্ষ্য

হারারের প্রাণবন্ত উইকেটে শুরুটা মন্দ ছিল না জিম্বাবুয়ের। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৬ রান তুলে স্বাগতিকরা ইঙ্গিত দিয়েছিল লড়াইয়ের। কিন্তু মেহেদী হাসান মিরাজের সরাসরি থ্রোতে বেন কারান রানআউট হতেই বদলে যায় ইনিংসের গল্প। এরপর তাসকিন আহমেদের ধাক্কা, আর নাহিদ রানার গতির ঝড়ে ৩৬.৪ ওভারে ১৪১ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।
টস জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। ব্রায়ান বেনেট ও বেন কারান মিলে শুরুটা সামলে নিচ্ছিলেন। তবে ১৮ রান করা কারানকে মিরাজের দুর্দান্ত ডিরেক্ট হিটে ফিরতে হয়। একই স্কোরে তাসকিনের বলে আউট হন বেনেটও। এরপর ক্রেইগ আরভিনকে শূন্য রানে বোল্ড করে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে এনে দেন তাসকিন।
তারপর ম্যাচের পুরো আলো নিজের দিকে টেনে নেন নাহিদ রানা। গতির সঙ্গে হারারের উইকেটের বাউন্স কাজে লাগিয়ে জিম্বাবুয়ের মিডল অর্ডার ভেঙে দেন এই পেসার। সিকান্দার রাজা, ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদান্দে, ইনোসেন্ট কাইয়া ও ব্র্যাড ইভান্সকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৭০ রানে ৮ উইকেটে নামিয়ে আনেন তিনি।
একসময় মনে হচ্ছিল জিম্বাবুয়ে হয়তো একশর আগেই গুটিয়ে যাবে। তবে নবম উইকেটে রিচার্ড এনগারাভা ও নিউম্যান নিয়ামহুরি লড়াই করেন। দুজনের ৬৩ রানের জুটি স্বাগতিকদের স্কোর ১৪০-এর কাছাকাছি নিয়ে যায়। এনগারাভা করেন ২৭ রান, নিয়ামহুরি লড়াই করে করেন ৩৩। শেষ পর্যন্ত নাহিদ ফিরে এসে এনগারাভাকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন। পরে মিরাজের বলে নিয়ামহুরির বিদায়ে শেষ হয় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
নাহিদ শেষ করেন ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার নিয়ে। ১০ ওভারে ২ মেডেন, মাত্র ২১ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট। এ বছর এটি তার তৃতীয় পাঁচ উইকেট শিকার। তাসকিন ৭ ওভারে ৩২ রানে নেন ২ উইকেট। মিরাজের শিকার ১ উইকেট, সঙ্গে ছিল সেই গুরুত্বপূর্ণ রানআউট।
জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নিয়ামহুরি। ইনোসেন্ট কাইয়া করেন ২৬, এনগারাভা ২৭। তবে টপ ও মিডল অর্ডারের ধসেই বড় স্কোরের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায় তাদের।
বাংলাদেশের সামনে এখন লক্ষ্য ১৪২। উইকেট সহজ নয়, শুরুতে পেসারদের জন্য সাহায্য আছে। তাই লক্ষ্য ছোট হলেও বাংলাদেশের ব্যাটারদের সাবধানী শুরু দরকার। দ্রুত উইকেট না হারালে এই রান তাড়া করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হওয়ার কথা নয়।





