ব্রাজিলকে বিদায় করে মেসি-এমবাপ্পের পাশে হালান্ড

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
ব্রাজিলকে বিদায় করে মেসি-এমবাপ্পের পাশে হালান্ড
আর্লিং হালান্ড। ছবি: সংগৃহীত

নকআউট ম্যাচে বড় তারকারা নিজেদের চিনিয়ে দেন। নিউ জার্সিতে সেটিই করলেন আর্লিং হালান্ড। ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে জোড়া গোল করে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে জিতিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে তুললেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও উঠে এলেন লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের পাশে।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর ম্যাচের ভাগ্য বদলায় দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে। ৭৮ মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের ক্রস থেকে হেডে গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেন হালান্ড। এরপর ৮৯ মিনিটে আবারও তাঁর আঘাত। বক্সের বাইরে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শক্তিশালী শটে ব্যবধান ২-০ করেন নরওয়ের অধিনায়ক। যোগ করা সময়ে নেইমার পেনাল্টি থেকে গোল করলেও সেটি ব্রাজিলকে বাঁচাতে পারেনি।

এই দুই গোলে এবারের বিশ্বকাপে হালান্ডের গোলসংখ্যা দাঁড়াল ৭। এখন গোল্ডেন বুটের শীর্ষ লড়াইয়ে মেসি, এমবাপ্পে ও হালান্ড, তিনজনই সমান ৭ গোলে। তবে টাইব্রেকারে অ্যাসিস্টের হিসাবে এমবাপ্পে এগিয়ে আছেন।

এবারের বিশ্বকাপে হালান্ড যে ম্যাচগুলো খেলেছেন, প্রতিটিতেই গোল করেছেন। গ্রুপ পর্বে ইরাক ও সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচে ছিলেন না। এরপর আইভরি কোস্টের বিপক্ষে গোল করে নকআউটে নরওয়েকে তুলেছিলেন, এবার ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে লিখলেন আরও বড় ইতিহাস।

নরওয়ের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হালান্ড জাতীয় দলের হয়েও অবিশ্বাস্য ধারাবাহিক। তাঁর গোলসংখ্যা এখন ম্যাচের চেয়েও বেশি। কিন্তু ব্রাজিলের বিপক্ষে এই রাত তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মুহূর্তগুলোর একটি হয়ে থাকবে।

ব্রাজিলের জন্য রাতটি দুঃস্বপ্নের। ১৯৯০ সালের পর প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই বিদায় নিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আর নরওয়ের জন্য এটি রূপকথার আরেক অধ্যায়, যার কেন্দ্রবিন্দুতে আবারও সেই হালান্ড।