২০ মামলার আসামি লাল মিয়াসহ সাত ডাকাত গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সক্রিয় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মূলহোতা, ডাকাতি, চুরি ও মাদকসহ ২০টি মামলার আসামি সৈয়দ লাল মিয়াসহ চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯।
বুধবার (২২ জুলাই) র্যাব-৯-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার লাল মিয়ার বাড়ি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার চন্দ্রছড়ি গ্রামে। তার বিরুদ্ধে হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, চুরি, দস্যুতা ও মাদক সংক্রান্ত মোট ২০টি মামলা রয়েছে বলে জানায় র্যাব।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ মে বাহুবল উপজেলার মিরপুর এলাকায় ‘আশা’ এনজিওর শাখা কার্যালয়ে মুখোশধারী ৫-৬ জন ডাকাত হানা দেয়। ডাকাতদল এ সময় কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ অর্থ ও মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় এনজিওটির প্রবীণ শাখা ব্যবস্থাপক (সিনিয়র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার) শেখ আহম্মদ আলী বাদী হয়ে বাহুবল মডেল থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন।
মামলা দায়েরের পর র্যাব-৯ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে বাহুবলের চেরাগআলী ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে পলাতক আসামি সৈয়দ লাল মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এই একই ডাকাতি মামলায় এর আগে গত ১৯ জুলাই নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি টোলপ্লাজা এলাকা থেকে চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুর রেলক্রসিং ও মাধবপুরের জগদীশপুর এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে রাসেল মিয়া (৩৯) ও শিপন মিয়া (২৫) নামের আরও দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাহুবল মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
.png)





