এগিয়েও লিড ধরে রাখতে পারল না নরওয়ে

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
এগিয়েও লিড ধরে রাখতে পারল না নরওয়ে
ছবি : সংগৃহীত

মায়ামির প্রচণ্ড গরমে নরওয়ে যখন এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়ার অপেক্ষায়, তখন আবারও ইংল্যান্ডের উদ্ধারকর্তা জুড বেলিংহাম। আন্দ্রেয়াস শেলডেরুপের দুর্দান্ত গোলে পিছিয়ে পড়ার পর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সমতা ফিরিয়েছেন ইংলিশ মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথমার্ধ শেষে নরওয়ে ও ইংল্যান্ডের স্কোর ১-১।

মায়ামি স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই বলের দখল বেশি ছিল ইংল্যান্ডের। অ্যান্থনি গর্ডন ও ননি মাদুয়েকেকে দুই প্রান্তে ব্যবহার করে নরওয়ের রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করে টমাস টুখেলের দল। বেলিংহামের একটি হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, আর বিপজ্জনক জায়গা থেকে পাওয়া ফ্রি-কিক উড়িয়ে মারেন হ্যারি কেইন।

ইংল্যান্ড বল বেশি রাখলেও সুযোগের অপেক্ষায় ধৈর্য ধরে ছিল নরওয়ে। ৩৩ মিনিটে জন স্টোনসের ভুলে বল পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি আর্লিং হালান্ড। দুই মিনিট পর তাঁর হেড সরাসরি যায় জর্ডান পিকফোর্ডের হাতে।

তবে ৩৬ মিনিটে আর ভুল করেনি নরওয়ে। মাঝমাঠের কাছে কেইনের পা থেকে বল কেড়ে নেন প্যাট্রিক বার্গ। ফাউলের দাবিতে ইংল্যান্ডের কয়েকজন খেলোয়াড় থেমে গেলেও খেলা চালিয়ে যান রেফারি। বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে ভেতরের দিকে ঢুকে ক্রসের মতো করে বল পাঠান শেলডেরুপ। বাঁক নেওয়া বল পিকফোর্ডকে ফাঁকি দিয়ে দূরের পোস্টে লেগে জালে জড়ায়।

গোলটির পর ইংল্যান্ডকে আরও একবার বড় বিপদ থেকে বাঁচান স্টোনস। সোরলথ ও হালান্ডের বিপক্ষে একা পড়েও নরওয়ের আক্রমণ থামিয়ে দেন তিনি। সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে না পারার মূল্য দিতে হয় নরওয়েকে।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গর্ডনের নিচু ক্রস থেকে বক্সের প্রান্তে বল পান বেলিংহাম। কয়েকটি স্পর্শে জায়গা তৈরি করে ঘুরে দাঁড়িয়ে দূরের কোণে দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠান তিনি। সমতার পর কেইনের একটি নিচু শট ঠেকান নিল্যান্ড। কিছুক্ষণ পর তাঁর চিপ জালে গেলেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

ফলে দুই গোলের নাটকীয়তায় সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। এই ম্যাচের জয়ী দল সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড ম্যাচের জয়ীর মুখোমুখি হবে।