Advertisement

আন্দোলনের মুখে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে কঠোর বার্তা মোদির

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
আন্দোলনের মুখে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে কঠোর বার্তা মোদির
এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক বক্তব্যে আন্দোলনের বিষয়ে কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটের (এনইইটি) প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্ক ও চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে বার্তা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের কঠোরতম শাস্তির নির্দেশ দিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা একটি জাতীয় দায়িত্ব।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ক্ষমতাসীন এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য উদ্ধৃত করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এই কথা জানান।

রিজিজু জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দায়ীদের কঠোরতম শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন এবং জোর দিয়ে বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা একটি জাতীয় দায়িত্ব।

রিজিজু জানান, প্রধানমন্ত্রী একটি ত্রুটিমুক্ত পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে রিজিজু বলেন, প্রধানমন্ত্রী এনডিএ শরিকদের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং বিরোধী দলগুলোকে সংসদে গঠনমূলকভাবে কাজ করার আবেদন জানিয়ে বলেছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সব এমপিরই দেশের ভবিষ্যৎ এবং যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করার দায়িত্ব রয়েছে।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, দিল্লির রাজপথে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর ওপর কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করার এবং তাদের সংসদের দিকে পদযাত্রা করার একদিন পর প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য সামনে এলো। মে মাসে একটি অপ্রাসঙ্গিক শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কয়েকজন বেকার যুবককে ‘ককরোচ’-এর সঙ্গে তুলনা করার পর ব্যঙ্গাত্মক ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বে আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে কথিত অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন।

ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট) হলো ভারতের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, যেখানে ২০ লাখেরও বেশি হবু চিকিৎসক অংশ নেন। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগেই ফাঁস হয়ে যাওয়ার অভিযোগের পর মে মাসে পরীক্ষাটি বাতিল করা হয়। এরপর গত মাসের শেষের দিকে পুনরায় এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

নিট কেলেঙ্কারির পাশাপাশি আরও একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে, যা প্রায় ২০ লাখ হাই স্কুল সিবিএসই শিক্ষার্থীর পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত অনলাইন নম্বর প্রদান পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত। সেখানে অনেক শিক্ষার্থী অভিযোগ জানিয়েছেন, এই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি ভুল গ্রেড দিয়েছে অথবা ভুল প্রার্থীর নামে ফলাফল প্রকাশ করেছে।