পরিবার থেকে খামেনির জানাজায় অংশ নেন যারা

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসল্লায় অনুষ্ঠিত এ জানাজায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়েছে। এতে ইমামতি করেন দেশটির অন্যতম ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাপল সোবহানি। এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেসটিভি।
দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, প্রয়াত নেতার শেষ বিদায়ের কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, জামাতা মেসবাহ-ওল-হোদা বাঘেরি, বড় মেয়ে সাইয়্যেদাহ বোশরা হোসেইনি খামেনি, পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল ও ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মদী গোলপায়গানির প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাবা আলী খামেনির জানাজায় উপস্থিত ছিলেন না ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। তবে তার অন্য তিন ছেলে জানাজায় অংশ নেন। তারা হলেন বড় ছেলে মোস্তফা খামেনি, তৃতীয় ছেলে মাসুদ খামেনি ও ছোট ছেলে মেসাম হোসেইনি খামেনি বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলের বিমান হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতার স্ত্রীও গুরুতর আহত হন। আলী খামেনি নিহতের দুদিন পরে স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ মারা যান। তবে তার জানাজা, দাফন সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ১৯৬৪ সালে আলী খামেনির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পর্দার আড়ালে থাকা এই নারী।
রাজধানী তেহরানের জানাজা শেষে আলী খামেনির মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কোমে। সেখানে অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করবেন নাসের মাকারেম শিরাজি। আরও আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য মরদেহ ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। এবং সবশেষ মাশহাদে হোসেইন নুরি হামেদানির ইমামতি জানাজা শেষে প্রয়াত এই ইরানি নেতাকে বিখ্যাত ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গনে কবরস্থ করা হবে।




