
দিনে আবছা দেখেন, সন্ধ্যা নামলেই দু’চোখে ঘোর অন্ধকার। মাথা গোঁজার ঠাঁই বলতে পুকুরের ওপর হেলে পড়া একটি নড়বড়ে কাঠের দোকান। নেই বিছানা, বালিশ কিংবা কাঁথা। কয়েকটি বস্তা ও প্যাকেটই রাতে তার বালিশের কাজ করে। কেউ খাবার দিলে খান, না দিলে না খেয়েই কাটে রাত। এভাবেই বছরের পর বছর মানবেতর জীবন কাটছে ৯০ বছরের বৃদ

একসময় যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় পুকুর ছিল মানুষের নিত্যদিনের জীবনের অংশ। পুকুরের পানি ব্যবহার থেকে শুরু করে মাছ চাষ, গরমে স্বস্তি কিংবা আগুন নেভাতে—বিভিন্ন প্রয়োজনে এসব জলাধার ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জনবসতি বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের চাপে একের পর এক পুকুর ও জলাশয়

চাকরি করে জীবিকা নির্বাহের চেয়ে নিজের কিছু করার স্বপ্ন দেখেছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। সেই স্বপ্ন থেকেই ২০০৮ সালে চাকরি ছেড়ে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার চিনাটোলা বাজারের পাশে জমি ভাড়া নিয়ে গড়ে তোলেন আইসক্রিমের কাঠি তৈরির কারখানা। মাত্র ১৭ জন শ্রমিক নিয়ে শুরু করা সেই কারখানা এখন দুটি প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে। সে

ট্রেন নেই, যাত্রী নেই— পড়ে আছে আগাছায় মোড়ানো জরাজীর্ণ ভবন। সময়ের পরিবর্তনে যশোরের গদখালী, ধোপাখোলা ও মেহেরুল্লাহনগর ঐতিহাসিক এই তিন রেলস্টেশনের এমনই দশা। এক সময় কৃষক, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের পদচারণায় মুখর এসব স্টেশন এখন যেন পরিত্যক্ত। কোথাও স্টেশন ভবন ও প্ল্যাটফর্ম জঙ্গলে ঢেকে গেছে, কোথাও গরু-ছা

রাত যত গভীর হয়, ততই জমজমাট হয়ে ওঠে যশোরের চৌগাছার ঐতিহ্যবাহী বলুহ মেলা। অথচ জেলা প্রশাসনের অনুমতিতে মেলা প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলার কথা। অনুমতিপত্রে জুয়া, লাকি কুপন, র্যাফেল ড্রসহ প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ এবং মাদক বিক্রি ও সেবন বন্ধ রাখার শর্তও রয়েছে। কিন্তু সরেজমিনে দেখা গেছ

যশোরের র্যাব ও পুলিশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, যশোর শহর ও এর আশেপাশে ৪০ থেকে ৫০টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। এদের প্রতিটি গ্রুপে সদস্য থাকে গড়ে ৮ থেকে ১৬ জন। যাদের বয়স সাধারণত ১৪ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। শহরের পালবাড়ি, ধর্মতলা, শংকরপুর, বেজপাড়া, রায়পাড়া তুলোতলা, ষষ্টিতলা, খড়কি, রেলগেট, চাঁচড়া, বারান্দিপাড়া

স্বর্ণ চোরাচালানের প্রধান ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে ভারত সীমান্তঘেঁষা জেলা যশোর। বিশেষ করে জেলার শার্শা, বেনাপোল ও চৌগাছা সীমান্তকে স্বর্ণ চোরাচালানের ‘সেফ রুট’ হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাচালানিরা। মধ্যপ্রাচ্য থেকে ঢাকা হয়ে যশোর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পৌঁছে যাচ্ছে চোরাচালানের স্বর্ণ।

যশোর উপশহর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঁচ বছর ধরে চলছে জলাবদ্ধতার অভিশাপ। বছরের অধিকাংশ সময়ই বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে জমে থাকে বর্জ্য ও দুর্গন্ধযুক্ত নোংরা পানি। সামান্য বৃষ্টিতেই সেই পানি ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়। ফলে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান, বন্ধ রয়েছে খেলাধুলা এবং দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। একই

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র সাত দিন বাকি। ইতোমধ্যে জমে উঠেছে যশোরের পশুর হাটগুলো। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতারা জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে আসছেন গরু ও ছাগল কিনতে। জেলার এসব পশুর হাটের অধিকাংশের ইজারা বিএনপির প্রভাবশালী নেতাকর্মীরা পেয়েছেন।