

বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা আজ বৃহস্পতিবারই স্পষ্ট হতে পারে। রাষ্ট্রপতি পদে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করতে দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন দলটির স্থায়ী কমিটির নেতারা। বিএনপির একাধিক স্থায়ী কমিটির নেতা জানিয়েছেন, বৈঠকেই রা

সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ও আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত সব কমিটি ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে। নিষ্ক্রিয় নেতাদের বাদ দিয়ে তরুণ, ত্যাগী ও সাহসী নেতৃত্বকে সামনে আনার পাশাপাশি অভিজ্ঞ নেতাদেরও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে দলটি।

তিন বছর তিন মাস দায়িত্ব পালনের পর গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তার এই পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এই প্রশ্নটিই এখন জাতীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে প্রধান ও আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনি

দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন, মামলা, হামলা, কারাবরণ, নির্বাসন আর প্রতিকূল রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে অবশেষে ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরে এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রাজপথের সংগ্রাম থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসা দলটির জন্য এই ১৭ বছর ছিল ইতিহাসের কঠিন এক অধ্যায়। তবে নির্বাচনি লড়াইয়ে নিরঙ্কুশ বিজয়ে

৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে বড় ধরনের রদবদলের গুঞ্জন উঠেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক পরিবহন ও কৃষিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে আসতে পারে নতুন মুখ। একই সঙ্গে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো নিয়েও আলোচনা চলছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে। এর আগে অষ্টম জাতী

আসন্ন ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে দল গোছানোর চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় নেমেছে বিএনপি। দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে সরকার পরিচালনার পাশাপাশি দলকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে এবং আগামী দিনে বিরোধী দলের আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে রাজপথে সক্রিয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বড় ধরনের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শ

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও সুনির্দিষ্ট কোনো অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি বিএনপি। দলটির কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। কেউ বলছেন, ব্যক্তিপরিচয়ে নির্বাচনের সুযোগ থাকা উচিত। আবার কেউ মনে

জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দরজায় কড়া নাড়ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের পর, অর্থাৎ আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে এই নির্বাচনী উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন বা সমর্থনের ক্ষেত্রে ‘অতীতের ত্য

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেবে বিএনপি। বিদ্রোহীদের বিষয়ে নেওয়া হবে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। দলের হাইকমান্ড থেকে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন স্তরে এ বার্তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সদস্য এশিয়া পোস্টকে জানিয়েছেন, সংসদ নির্বাচনের মতো

অনলাইনে গুজব, অপপ্রচার ও এআই-নির্ভর বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রেখেই অপতথ্য ও মানহানিকর প্রচারণা রোধে আইনি ও প্রযুক্তিগত নজরদারি জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা, সরকারপ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিএনপির অন্তত ১৯০ জন নেতা। তাদের সবাইকে বহিষ্কার করা হয়। এখন সেই নেতাদের একটি বড় অংশ দলে ফিরতে চান। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া ছয়জন ইতোমধ্যেই বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবদলের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় এবার সংগঠন পুনর্গঠনে মাঠের ত্যাগী, আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত এবং পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতাদের মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। বিএনপি সরকার গঠনের প

শিগগিরই ঘোষণা করা হতে পারে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি। এ নিয়ে নেতাকর্মী ও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে চলছে নানা গুঞ্জন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, এই দুই শীর্ষ পদে একাধিক সাবেক যুব ও ছাত্রনেতার নাম সামনে আসছে।

তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভার আকার আরও বাড়তে যাচ্ছে। একই সঙ্গে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে রদবদল এবং নতুন মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। মূলত জনবান্ধব ও প্রশাসনের গতি বাড়াতে ঈদুল আজহার পরে বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার পরই এই সম্প্রসারণ হতে পারে। সরকার ও বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক স

সরকার পরিচালনার ব্যস্ততার মধ্যেও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে দৃশ্যত সক্রিয় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মেয়াদোত্তীর্ণ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে ন