
নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে সাময়িকভাবে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। এ ঘোষণার পরপরই সাজেককেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসায় ধস নেমেছে। ফলে হোটেল-রিসোর্ট, কটেজ, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতের সঙ্গে জড়িত শত শত ব্যবসায়ী ও শ্রমিক চরম অনিশ্চয়তা এবং বড় ধরনের আ

পাহাড়ের বুকে শিক্ষার আলো জ্বেলে চলা রাঙামাটি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা সমতলের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। জেলায় সরকারি-বেসরকারি মিলে মোট ৭৯৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও ১৪৯টি বেসরকারি বিদ্যালয় আজও অবহেলিত ও নামমাত্র অস্তিত্ব নিয়ে টিকে আছে। সরকারি সুযোগ-সুবিধার বাইরে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষ

রাঙামাটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। কোথাও দু-তিনজন শিক্ষক দিয়েই চলছে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। ফলে চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে জেলার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা। জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, জেলার ৭০৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৩৮

কাপ্তাইয়ের সুউচ্চ সীতা পাহাড়ের চূড়ায় কুয়াশা ভেদ করে সোনালী রোদে চিকচিক করছে পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে পাকা জুম ধান। সবুজের বুকে যেন কেউ সোনালী আল্পনা এঁকে দিয়েছে। সমতল থেকে প্রায় দুই হাজার ফুট দুর্গম পাহাড়ি পথ পেড়িয়ে কাপ্তাইয়ের সীতা পাহাড়ে উঠলেই চোখে পড়বে এই রূপালী-সোনালী ক্যানভাস। হেমন্তের শুরুতে পাহাড়ে

পাহাড়, হ্রদ আর মেঘের মিতালিতে ঘেরা রাঙামাটি যেন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের এক লীলাভূমি। ছলছল জলের শব্দ, পাখির ডাক, মেঘের আড়ালে চিকচিক করা রোদ আর বুকভরা নির্মল বাতাসের টানে পর্যটকরা ছুটে আসেন কাপ্তাই হ্রদের ছোট ছোট দ্বীপে। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি ভুলে প্রশান্তির একটু অবকাশ খুঁজে নিতে কাপ্তাইয়ের এমনই

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলাকে বলা হয় আনারসের রাজধানী। বছরজুড়েই এখানে প্রচুর আনারস চাষ হয়। তবে বাম্পার ফলন হলেও সঠিক বাজারজাতকরণ ও সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে বাধ্য হয়ে কম দামে কিংবা পানির দামে আনারস বিক্রি করতে হয় চাষীদের। অথচ অচল হয়ে পড়ে আছে এ উপজেলাতেই তৈরি করা আনারসের চিপস কারখানা। নষ্ট হচ্ছে প্রায়

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির বটতলী এলাকায় নদীর ওপর একটি সেতুর জন্য স্থানীয়দের অপেক্ষা দীর্ঘ আড়াই দশকের। জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচনি আশ্বাস দিলেও সেতুটি আলোর মুখ দেখেনি। প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে নদী পার হচ্ছেন প্রায় ১২ হাজার মানুষ।

এক সময় হুয়াং হো নদীকে বলা হতো ‘চীনের দুঃখ’। আর বর্তমান সময়ে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার মানুষের প্রধান দুঃখ হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘কাপ্তাই হ্রদ’। বছরের প্রায় সাত থেকে আট মাস হ্রদের পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলে জেলার পাঁচটি উপজেলার নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কয

বর্ষা এলেই রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা বাড়ে, তবে থামেনি পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি স্থাপন। ২০১৭ ও ২০১৮ সালের ভয়াবহ পাহাড় ধসে ১৩১ জনের প্রাণহানির পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও গত ৯ বছরে সেসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসতি কমেনি; বরং বেড়েছে কয়েক গুণ। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, বর্