
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার বেগুনের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে দামও ভালো। এতে আশায় বুক বেঁধেছিলেন কৃষকেরা। তবে সেই আশায় এখন শঙ্কা জাগিয়েছে ভাইরাসের আক্রমণ। আক্রান্ত গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে, আর বেগুনের স্বাভাবিক আকৃতি নষ্ট হয়ে কুঁকড়ে যাচ্ছে। এতে বাজারজাতযোগ্য বেগুনের পরিমাণ কমছে। ক্ষ

সেতু আছে, কিন্তু সেতুতে ওঠার কোনো সড়ক নেই। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার দুটি ইউনিয়নের অন্তত ১০ হাজার মানুষ। সম্প্রতি ব্রিজের দুই পাশে বসানো বাঁশের চাটাই বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন স্থানীয়রা। রাজারহাট সদর ইউনিয়নের নাটুয়ামহল ও ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চেতনা গ্রামের সীমান্তব

শীত এখনো পুরোপুরি নামেনি। তবে কুড়িগ্রামের মাঠে শুরু হয়েছে শীতকালীন সবজি চাষের ব্যস্ততা। ভোরের আলো ফুটতেই জমিতে ছুটছেন কৃষকেরা। দিনের অধিকাংশ সময় কাটছে জমির পরিচর্যায়। কেউ সার প্রয়োগ করছেন, কেউ সেচ দিচ্ছেন, আবার কেউ আগাছা পরিষ্কার ও সবজির গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত। লক্ষ্য একটাই—শীতের আগেই বাজারে আগাম সব

ধরলা নদীর ভাঙনোত স্বামীর ভিটেমাটি নাই। ভাইয়ের বাড়িত থাকি। ভাইয়ের বাড়িও ভাঙি গেইলে যামো কোনটে? তোমার গুল্যার কাছোত অনুরোধ, নদীটা হামার বান্দি দেও। এভাবেই আকুতি জানাচ্ছিলেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের জগমনের চরের বাসিন্দা মজিরন বেওয়া (৭০)। স্বামী-সন্তানহীন এই বৃদ্ধা বর্তমানে ভাইয়ের বাড়িত

কুড়িগ্রামের দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদে সূর্য ডোবার পরপরই শুরু হয় বেপরোয়া মাছ নিধন। নৌকায় ব্যাটারি ও ইনভার্টারের মাধ্যমে হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুতের শক দিয়ে নির্বিচারে ধরা হচ্ছে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এই প্রক্রিয়ায় বড় মাছের পাশাপাশি মারা পড়ছে রেনু-পোনা ও ডিম। ফলে নদ-নদীর প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ দ্রুত নিঃ

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের নওয়ানি পাড়া এলাকার বাসিন্দা নাইমুল ইসলাম। তিনি গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে শিক্ষকতার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তপথে অবৈধ পণ্য প্রবেশে কমিশন আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় দেড় যুগ ধরে এভাবে অর্থ উপার