২০ বছর পর ‘প্রাণ ফিরে’ পাচ্ছে আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়ক

এশিয়া পোস্ট নিউজ
২০ বছর পর ‘প্রাণ ফিরে’ পাচ্ছে আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়ক
আমিন বাজার হেমায়তপুর সড়ক পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা। ছবি: এশিয়া পোস্ট

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের পর প্রায় ২০ বছর ধরে অব্যবস্থাপনা ও দুর্গন্ধে ভোগা আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত সড়কটিকে দুর্গন্ধমুক্ত ও দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

গত ৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বর্ষাকালীন মহড়া পরিদর্শনে যাওয়ার পথে আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়কের পাশে দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগাড় ও তীব্র দুর্গন্ধ তার দৃষ্টিগোচর হয়। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ঢাকার জেলা প্রশাসককে দ্রুত ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তরের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বয়ে ইতিমধ্যে সার্বিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য শনিবার (১১ জুলাই) স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকার জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা এলাকা পরিদর্শন করেন। তারা কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশ থেকে অবৈধভাবে ফেলা ময়লা অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে স্থানান্তর করা হচ্ছে। পাশাপাশি বালি ও মাটি দিয়ে রাস্তার দুই পাশ ভরাট করে ঢাল (স্লোপ) তৈরি করা হচ্ছে, যাতে বৃষ্টির পানিতে মাটি ক্ষয় না হয়।

সড়কের সৌন্দর্য বাড়াতে দুই পাশে নিম, সুপারি ও নারকেল গাছ রোপণ করা হবে। এ ছাড়া নতুন করে যাতে কেউ ময়লা ফেলতে না পারে, সে জন্য রাস্তার দুই পাশে উঁচু বেড়া নির্মাণ এবং নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত সড়কটি শুধু দুর্গন্ধমুক্তই হবে না, বরং একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও দৃষ্টিনন্দন সড়কে পরিণত হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিবেশদূষণ কমে জনসাধারণের চলাচল আরও আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত হবে।