এনসিপির গাড়িবহরে রক্তাক্ত হামলা, নাসীরুদ্দীনের পোস্ট

সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বিএনপির নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছেন বলে দাবি করেছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, সিলেটের গোলাপগঞ্জে আবারও এনসিপির বহরে রক্তাক্ত হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। তারা গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এনসিপি সূত্রে জানা যায়, সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ফেরার পথে পুলিশ প্রটোকলের মধ্যেই এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম ও মিতুর গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে গোলাপগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে, দুপুর দেড়টায় গোলাপগঞ্জ পৌরসভার হলরুমে ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ৭ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এনসিপির নেতারা।
এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমও ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করে লেখেন, সিলেটের গোলাপগঞ্জে আবার আমাদের গাড়িতে রক্তাক্ত হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। তারা গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভা শেষে সারজিস আলমদের বহনকারী গাড়িটি পুলিশ প্রটোকল নিয়ে পৌরসভা ভবন থেকে বের হয়ে শহরের দিকে রওনা হয়। এ সময় গেটের বাইরে অবস্থানরত ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা পানির বোতল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। গাড়িটি একটু সামনে এগোতেই একটি ইট গিয়ে পড়ে সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়ির কাচে। পরবর্তীতে দ্রুত গাড়িবহর নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন তারা। এ সময় ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মীকে মিছিল নিয়ে গাড়ির পিছু নিতে দেখা যায়।
হামলার বিষয়ে এনসিপি সিলেট জেলার আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই আমাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে বিএনপির একদল উচ্ছৃঙ্খল কর্মী হামলা চালিয়েছে। তাদের নিবৃত্ত করতে পুলিশ কোনো ভূমিকা রাখেনি। আমরা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সিলেটের পাঁচ উপজেলায় পদযাত্রা করার কথা রয়েছে এনসিপির। একই দিন কানাইঘাট ও ওসমানীনগরেও তাদের কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। এসব কর্মসূচিতে অংশ নিতেই এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা বর্তমানে সিলেটে অবস্থান করছেন।
.png)






