আমার কাছে চাঁদা চায়নি, চাইলে অবশ্যই দিতাম: সালমান

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনার সময় তিনি রাজধানীতে ছিলেন না। খবর পেয়ে পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সব খোঁজখবর নেন। এরপর ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে লাইভে যুক্ত হয়ে নিজের স্টুডিওর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন।
এ ঘটনার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন সালমান মুক্তাদির। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে যে চাঁদা দেয়নি, এ জন্য হামলা করা হয়েছে। এখন চাঁদা দেয়নি এটা তো...আমার কাছে চায়ওনি, চাইলে আমি ডেফিনেটলি দিতাম, যদি আমার পোষাত অবশ্যই দিতাম। কিন্তু উনারা কেন দেয়নি, কত টাকা দেয়নি, এ ব্যাপারে আমার আইডিয়া নেই। এই তথ্য আমি পুলিশের কাছে শুনলাম, বাইরের লোকজনের কাছে শুনলাম।
সালমান বলছিলেন, ওরা মূলত ভবনের মালিকের কাছে চাঁদা চেয়েছিল। টার্গেট করেছিল মালিককে। আমি মাঝখানে পড়ে গিয়েছি। ওরা হয়তো জানতো না এটা আমার স্টুডিও।
তিনি আরও বলেন, যে কারণেই হোক না কেন, হয়েছে তো বাংলাদেশে। এটা স্বীকার করতে হবে, এটাই বাংলাদেশ। আমি ভেবেছি আমার প্রতি শত্রুতা, পরে দেখি পুরো প্রজেক্টেই হামলা চালানো হয়েছে। প্রজেক্ট নিয়ে কিছু হয়েছে, এটাই আমি নিশ্চিত হয়েছি। এ সময় এসব হওয়ার কথা ছিল না, এমনটা হবে বলে ভাবেননি। তবে এসব ঘটনা চলতেই থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিতে চান না এবং আইনের প্রতি তার কোনো বিশ্বাস নেই। আইনের ব্যাপারে তিনি ‘নাস্তিক’ বলেও মন্তব্য করেন।
ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি জানান, তার স্টুডিওতে অনেক শুটিং হয়, অনেক লোকের কাজ থাকে। তবে স্টুডিও ভাঙচুর করায় আর্থিক কত ক্ষতি হয়েছে, এ মুহূর্তে তিনি বলতে পারছেন না। এ বিষয়ে তার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন। তবে তিনি থেকে থাকবেন না। দেশে হোক কিংবা বিদেশে বসে হোক তিনি তার কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এই স্টুডিওর মতো বাংলাদেশে আর একটিও নেই, এবং এফডিসিতেও এসব নেই বলে জানান তিনি।
এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, রিয়েল এস্টেট প্রকল্পটির জমির মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। তিনি চাঁদা না দেওয়ার পর এই হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
এর আগে লাইভে সালমান মুক্তাদির দাবি করে বলেন, হামলায় তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও সৃজনশীল কাজের জায়গাটি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় তিনি থেমে যাবেন না বলেও জানান।
তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে উদ্দেশ করে বলেন, এই ভিডিওটা বিশেষভাবে বানানো আমাদের যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, উনার জন্য। আপনি প্লিজ কোনো টেনশন নেবেন না। দিস ইজ নরমাল ইন বাংলাদেশ (এটা বাংলাদেশে স্বাভাবিক ঘটনা)।
অন্য আরেক ভিডিওতে বিএনপির কর্মীদের উদ্দেশ করে সালমানকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদাবাজি করো আর যাই করো, তোমাদের অবস্থান এটুকুই থাকবে। এর চেয়ে বেশি কিছু করার সাধ্য তোমাদের নাই।’
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় এক থেকে দেড় শ লোক হঠাৎ স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় তাদের কয়েকজনের হাতে চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি করেন তিনি। পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক দেখে স্টুডিওতে থাকা কর্মকর্তারা টয়লেটে গিয়ে আত্মগোপন করেন। হামলাকারীরা সেখানেও গিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, স্টুডিওতে থাকা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে হামলায় স্টুডিওতে থাকা কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী আহত হননি বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ইসিবি চত্বরের একটি অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, রিয়েল এস্টেট প্রকল্পটির জমির মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। তিনি চাঁদা না দেওয়ার পর এই হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
এর আগে লাইভে সালমান মুক্তাদির দাবি করে বলেন, হামলায় তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও সৃজনশীল কাজের জায়গাটি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় তিনি থেমে যাবেন না বলেও জানান।
তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে উদ্দেশ করে বলেন, এই ভিডিওটা বিশেষভাবে বানানো আমাদের যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, উনার জন্য। আপনি প্লিজ কোনো টেনশন নেবেন না। দিস ইজ নরমাল ইন বাংলাদেশ (এটা বাংলাদেশে স্বাভাবিক ঘটনা)।
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় এক থেকে দেড় শ লোক হঠাৎ স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় তাদের কয়েকজনের হাতে চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি করেন তিনি। পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক দেখে স্টুডিওতে থাকা কর্মকর্তারা টয়লেটে গিয়ে আত্মগোপন করেন। হামলাকারীরা সেখানেও গিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, স্টুডিওতে থাকা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে হামলায় স্টুডিওতে থাকা কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী আহত হননি বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ইসিবি চত্বরের একটি অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

