logo
‘শর্টস পরেই মেট্রোতে উঠি’ কর্মসূচি

এবার হাফ প্যান্ট পরে মেট্রোরেলে ওঠার ডাক

এবার হাফ প্যান্ট পরে মেট্রোরেলে ওঠার ডাক
ছবি: ‘হাফ প্যান্ট পরে মেট্রোরেলে’ নামে ফেসবুক ইভেন্ট থেকে নেওয়া।

টি-শার্ট আর হাফ প্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে যাওয়া এক ক্রীড়া প্রশিক্ষককে হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদে শর্টস পরে মেট্রোরেলে ওঠার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

‘শর্টস পরেই মেট্রোতে উঠি!’ নামে ফেসবুকে একটি ইভেন্ট খুলেছেন শাওন আহমেদ নামে এক ব্যবহারকারী। কর্মসূচির স্থান হিসেবে ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশন উল্লেখ করা হয়েছে। সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ইভেন্টটিতে প্রায় ৭ হাজার ১০০ জন সাড়া দিয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার ৬০০ জন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

ইভেন্টের বর্ণনায় বলা হয়েছে, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রশিক্ষণ শেষে টি-শার্ট ও শর্টস পরে ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনে যান সাজ্জাদ। সেখানে তার পোশাককে ‘অশালীন’ বিবেচনা করে এক পুলিশ সদস্য তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষায় রাখেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার পর সাজ্জাদ ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। এতে পোশাক নিয়ে ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তার বিতর্ক দেখা যায়। সাজ্জাদ জানতে চান, কোন পোশাক শালীন বা অশালীন—এ বিষয়ে লিখিত কোনো নিয়ম আছে কি না। পুলিশ সদস্য জবাবে বলেন, বিষয়টি দেখার দায়িত্ব তার। তবে মেট্রোরেলে যাত্রীদের চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো ড্রেস কোড নেই বলে জানিয়েছেন একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

আয়োজকদের দাবি, কর্মসূচিটি কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য নয়; বরং হয়রানির প্রতিবাদ, স্পষ্ট নিয়ম প্রণয়ন এবং যাত্রীদের প্রতি সম্মানজনক আচরণের দাবিতে শান্তিপূর্ণ নাগরিক উদ্যোগ। তাদের স্লোগান—‘সমস্যা শর্টসে নয়, সমস্যা হয়রানিতে!’

সাজ্জাদ প্রায় ১০ বছর ধরে ম্যারাথন ও আল্ট্রাম্যারাথনের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি নিয়মিত দৌড়ান এবং ঢাকার বিভিন্ন পার্কে দৌড়ের প্রশিক্ষণও দেন।