অতিবৃষ্টিতে মাগুরা শহরে জলাবদ্ধতা, তিন দিনেও নামেনি পানি

এশিয়া পোস্ট নিউজ, মাগুরা
অতিবৃষ্টিতে মাগুরা শহরে জলাবদ্ধতা, তিন দিনেও নামেনি পানি
পানি না নামায় ভোগান্তিতে স্থানীয়রা। ছবি: এশিয়া পোস্ট

টানা বর্ষণের তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মাগুরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা পানি এখনও নিষ্কাশন হয়নি। ফলে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজপাড়া এলাকায় জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের পেছনের কলেজপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, টানা বর্ষণে এলাকার বিভিন্ন সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সময় গড়ালেও পানি তেমন কমেনি। কোথাও কোথাও রাস্তা ও ড্রেনের ওপর হাঁটুসমান পানি জমে রয়েছে। অনেক বসতবাড়িতেও পানি ঢুকে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যাপ্ত ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই এলাকায় পানি জমে যায়। এতে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রিকশাচালক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। জলাবদ্ধতার কারণে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ছবি: এশিয়া পোস্ট
ছবি: এশিয়া পোস্ট

কলেজছাত্রী স্নিগ্ধা বলেন, বৃষ্টি হলেই আমাদের এলাকায় পানি জমে যায়। অনেক সময় বাড়ির ভেতরেও পানি ঢুকে পড়ে। রাস্তার ওপর হাঁটুসমান পানি থাকায় চলাচল করা যায় না। এখানে কোনো ভালো ড্রেনের ব্যবস্থা নেই। আমরা দ্রুত স্থায়ী সমাধান চাই।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আজাদ বলেন, বৃষ্টির কারণে ঘরের ভেতরে ও রাস্তার ওপর পানি জমে আছে। পানির নিচে রাস্তার গর্ত দেখা যায় না। দুর্ঘটনার ভয় নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হলে আমাদের অনেক উপকার হবে।

মাগুরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান বারী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতোমধ্যে পৌরসভায় ১০ কিলোমিটার ড্রেনেজ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি অর্থবছরে আরও পাঁচ কিলোমিটার ড্রেনেজ নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া তিনটি প্রকল্পের আওতায় আরও ২১ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন হলে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

বিষয় :মাগুরা