Advertisement

ছবিতে হাঁস না খরগোশ, প্রথম দেখাতেই দেবে আপনার ব্যক্তিত্বের বার্তা

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
ছবিতে হাঁস না খরগোশ, প্রথম দেখাতেই দেবে আপনার ব্যক্তিত্বের বার্তা
মিয়া ইলিয়েনের শেয়ার করা অপটিক্যাল ইউলিশন। ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অপটিক্যাল ইল্যুশন বা দৃষ্টিবিভ্রম ঘিরেই এখন নেটদুনিয়ায় আলোচনা চলছে। প্রখ্যাত কনটেন্ট নির্মাতা মিয়া ইলিনের শেয়ার করা এই ভিজ্যুয়াল টেস্টটিতে দাবি করা হয়েছে; প্রথম দেখায় ছবিতে হাঁস নাকি খরগোশ ধরা দিচ্ছে, তাতেই লুকিয়ে রয়েছে দৃষ্টিভঙ্গি ও স্বভাবের গোপন বৈশিষ্ট্য।

ছবিটিতে পানির ওপর সাদা রঙের একটি অবয়ব ফুটে ওঠে। প্রথম নজরে কেউ সেটিকে দেখছেন হাঁসের প্রতিচ্ছবি হিসেবে, আবার কারও চোখে সেটি ভেসে উঠছে খরগোশের আকৃতি নিয়ে। মজার বিষয় হলো, কে কোন প্রাণীটি আগে দেখছেন, তার ওপর ভিত্তি করেই ব্যাখ্যা করা হচ্ছে মানুষের চিন্তাভাবনা ও স্বভাবের ধরন।

প্রথমে হাঁস দেখলে

মিয়া ইলিনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যারা প্রথম দেখায় হাঁস দেখতে পান, তারা সাধারণত জ্ঞানপিপাসু ও অত্যন্ত বিশ্লেষণধর্মী স্বভাবের হন। নতুন কিছু শেখা, বই পড়া, তথ্যচিত্র দেখা কিংবা গভীর কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে তারা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। হালকা আড্ডার চেয়ে অর্থবহ কথোপকথনই তাদের বেশি টানে।

প্রথমে খরগোশ দেখলে

অন্যদিকে, যাদের চোখে প্রথম খরগোশ ধরা পড়ে, তারা স্বভাবগতভাবে প্রাণবন্ত, সামাজিক ও সহজেই মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে পারেন। যেকোনো আড্ডা বা সামাজিক অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠার চমৎকার ক্ষমতা থাকে তাদের। তবে এই হাসিখুশি রূপের আড়ালেও কখনো কখনো আত্মসমালোচনা, অতীতের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনুশোচনা বা মানসিক দুশ্চিন্তা কাজ করতে পারে।

কেন এত জনপ্রিয় অপটিক্যাল ইল্যুশন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, অপটিক্যাল ইল্যুশন কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, এটি মস্তিষ্ককে গতানুগতিক চিন্তার বাইরে গিয়ে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়। এই দৃষ্টিবিভ্রমগুলো মনোযোগ বাড়াতে, স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ করতে এবং মানুষের অন্যান্য জ্ঞানীয় কার্যাবলীর মান উন্নত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।