‘হাসিনা নেই, জঙ্গিও নেই’

শেখ হাসিনা নেই, সেজন্য দেশে জঙ্গিও নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, হাসিনা যেদিন থেকে বিদায় নিল, এরপর অন্তর্বর্তী সরকার ১৮ মাস দেশ পরিচালনা করেছে, ওই সময়ে পুলিশ জঙ্গি বলে তো কারও বাড়ি ঘেরাও করেনি। হাসিনা চলে গেছে, সঙ্গে জঙ্গিও চলে গেছে।
সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন স্টার নিউজের ‘কড়া আলাপ’ নামের এক টকশোতে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, মৌলবাদ ও জঙ্গি টার্মগুলো আওয়ামী টার্ম। ফ্যাসিবাদী টার্ম। আধিপাত্যবাদী গোষ্ঠীর শেখানো বুলি। এগুলো হাসিনা ব্যবহার করেছে। অতীতে এগুলো বলে এ দেশের রাজনৈতিক দলের কর্মী এবং আলেমসমাজকে দারুণভাবে অত্যাচার করা হয়েছে।
জামায়াত গোপন রাজনীতি করে না জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতের রাজনীতি সকালের সূর্যের মতো পরিষ্কার। জামায়াতকে নিয়ে মন্তব্য করার আগে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমরা বলব, পুরাতন স্টাইলে আওয়ামী ন্যারিটেভ আবার নতুনভাবে জারি করার দ্বারা কোনো উপকার হবে না। জামায়াত সবসময় নিয়মতান্ত্রিক, গঠনতান্ত্রিক ও ইতিবাচক রাজনীতি করে। জামায়াত ডাবল স্ট্যান্ডার্ড কোনো কাজ করে না।
শেখ হাসিনার মতো বগলের নিচে জঙ্গি প্রতিপালন করে আবার জঙ্গি জঙ্গি বলে চিৎকার করা- এ ধরনের রাজনীতি জামায়াত করে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ দেশে কখনও জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না জানিয়ে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, হরকতুল জিহাদ হাসিনার তৈরি করা ছিল। এগুলো আওয়ামী লীগের তৈরি করা ছিল। এগুলো আধিপত্যবাদীদের পরিকল্পনা ছিল, প্রজেক্ট ছিল। এটা করে মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছে তারা। হাসিনা নাই, জঙ্গিও নাই। হাসিনা যেদিন থেকে বিদায় নিল, এরপর অন্তর্বর্তী সরকার ১৮ মাস দেশ পরিচালনা করেছে, ওই সময়ে পুলিশ জঙ্গি বলে তো কারও বাড়ি ঘেরাও করেনি। হাসিনা চলে গেছে, সঙ্গে জঙ্গিও চলে গেছে।
কেউ কালেমাখচিত পতাকা ব্যবহার করলে সন্দেহ করার কিছু নেই বলে জানান তিনি। জামায়াতের এ নেতা বলেন, কালেমাখচিত পতাকা টাঙানো ধর্মীয় আবেগ বা যে কোনো কারণে করতে পারে। কালেমার পতাকা তো বিশেষ কোনো দেশের নয়। কালেমার পতাকা প্রদর্শনীতে সাধারণভাবে কোনো সমস্যা দেখি না। বিশেষ উদ্দেশ্য থাকলে সেটা সরকার এবং প্রশাসনকে খুঁজে বের করতে হবে।




