Advertisement

আউট হয়ে পাকিস্তানি স্পিনারের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ডেভিডের

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
আউট হয়ে পাকিস্তানি স্পিনারের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ডেভিডের
টিম ডেভিড ও উসমান তারিক। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

পাকিস্তানের স্পিনার উসমান তারিকের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। ক্যামেরন গ্রিনের পর এবার তার অ্যাকশন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার আরেক ব্যাটার টিম ডেভিড।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দ্য হান্ড্রেডে ট্রেন্ট রকেটসের হয়ে বার্মিংহাম ফিনিক্সের বিপক্ষে খেলছিলেন ডেভিড। তারিকের অফ স্টাম্পের বাইরের একটি বলে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটকিপারের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

আউট হওয়ার পরপরই আম্পায়ারের দিকে তাকিয়ে বলটি ‘নো’ হওয়ার ইঙ্গিত দেন ডেভিড। রিভিউ নেওয়ার কথাও ভেবেছিলেন তিনি, তবে শেষ পর্যন্ত আর সিদ্ধান্তটি চ্যালেঞ্জ করেননি। মাঠের দুই আম্পায়ারের কেউই তারিকের অ্যাকশনে কোনো সমস্যা দেখেননি। ফলে ডেভিডকে মাঠ ছাড়তে হয়।

এমসিসির আইনের ২১.২ ধারা অনুযায়ী, বল করার সময় কোনো বোলারের হাত কাঁধের উচ্চতায় পৌঁছানোর পর বল ছাড়ার আগপর্যন্ত কনুই আংশিক বা পুরোপুরি সোজা করা যাবে না। অ্যাকশন অবৈধ মনে হলে মূলত স্ট্রাইকার প্রান্তের আম্পায়ার বলটিকে ‘নো’ ডাকতে পারেন। তবে তারিকের ক্ষেত্রে এমন কিছুই ঘটেনি।

এর আগেও একাধিকবার তারিকের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৪ পাকিস্তান সুপার লিগে আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব ও রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ তাঁর অ্যাকশন সন্দেহজনক বলে প্রতিবেদন দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের পিএসএলেও আবার তাঁর অ্যাকশন নিয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

চলতি বছরের শুরুতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তারিকের বলে আউট হওয়ার পর ক্যামেরন গ্রিনও বেসবলের মতো বল ছোড়ার ভঙ্গি করেছিলেন। ধারণা করা হয়, ওই অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে তারিকের বোলিং অ্যাকশন নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার।

তারিক অবশ্য আগেই জানিয়েছেন, শরীরের অস্বাভাবিক গঠনের কারণেই তাঁর বোলিং অ্যাকশন অন্যদের চেয়ে আলাদা। ২০২৫ সালের এপ্রিলে তিনি বলেছিলেন, তাঁর কনুই স্বাভাবিকভাবেই বাঁকা এবং এটি একটি শারীরিক বৈশিষ্ট্য। পরীক্ষার পর নিজের অ্যাকশন বৈধ প্রমাণিত হওয়ার দাবিও করেছিলেন পাকিস্তানি স্পিনার।