নরওয়েকে হারালে কোয়ার্টারে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

জাপানের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে শুরুটা স্বস্তির ছিল না ব্রাজিলের। আগে গোল হজম করে চাপে পড়ে গিয়েছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ গোলে জিতে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে সেলেসাওরা। এবার তাদের সামনে নরওয়ে।
আর্লিং হালান্ডের নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের অতীত রেকর্ড খুব সুখকর নয়। দুই দলের চার দেখায় এখনো জয় পায়নি ব্রাজিল। নরওয়ে জিতেছে দুবার, বাকি দুই ম্যাচ ড্র হয়েছে। সেই পরিসংখ্যানের কারণেই শেষ ষোলোর ম্যাচটি ব্রাজিলের জন্য বাড়তি সতর্কতার।
তবে বর্তমান শক্তি, অভিজ্ঞতা ও স্কোয়াডের গভীরতা বিবেচনায় নরওয়ের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামবে ব্রাজিল। কার্লো আনচেলত্তির দল জাপানের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও যে ধৈর্য ও মানসিকতা দেখিয়েছে, সেটিও সমর্থকদের আশাবাদী করছে। অন্যদিকে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে দেরিতে জয়সূচক গোল করা হালান্ড নিজেও ম্যাচ শেষে ক্লান্তির কথা বলেছেন। তাই নরওয়ের জন্যও প্রস্তুতি ও পুনরুদ্ধার বড় বিষয়।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নরওয়েকে হারিয়ে ব্রাজিল যদি কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে, তাহলে তাদের প্রতিপক্ষ হবে কে?
উত্তরটি নির্ভর করছে মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের ম্যাচের ওপর। শেষ ষোলোয় এই দুই দল মুখোমুখি হবে। সেই ম্যাচের জয়ী দলই কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের বিজয়ীর বিপক্ষে খেলবে।
অর্থাৎ ব্রাজিল শেষ আটে উঠলে তাদের সামনে আসতে পারে স্বাগতিক মেক্সিকো অথবা ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। মেক্সিকো ঘরের মাঠের সুবিধা নিয়ে আত্মবিশ্বাসে আছে। শেষ ৩২-এ ইকুয়েডরকে হারিয়ে তারা বিশ্বকাপের নকআউটে দীর্ঘ অপেক্ষা ভেঙেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে আগে গোল হজম করেও হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় পেয়েছে।
এই কারণে ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালের পথ এখন দুই ধাপে আটকে আছে। প্রথমত, নরওয়েকে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, মেক্সিকো-ইংল্যান্ড ম্যাচের ফল জানতে হবে।
ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য তাই নজর থাকবে দুটি ম্যাচে। আগে নরওয়ে বাধা, এরপর সম্ভাব্য ইংল্যান্ড বা মেক্সিকো পরীক্ষা। বিশ্বকাপের নকআউটে প্রতিটি ধাপই কঠিন, আর ব্রাজিলের পথও এখন থেকে আরও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠছে।




