প্রতিপক্ষ ব্রাজিলকে নিয়ে মুখ খুললেন হালান্ড

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে শক্তিশালী ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার আগে প্রতিপক্ষকেই স্পষ্ট ফেবারিট হিসেবে দেখছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। তবে নিজেদের সম্ভাবনা কম বলে মনে করলেও শেষ পর্যন্ত সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) শেষ ৩২-এর ম্যাচে আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে নরওয়ে। দলের জয়সূচক গোলটি করেন হালান্ড। চলতি বিশ্বকাপে এ নিয়ে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচে।
ম্যাচ শেষে ফিফাকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে হালান্ড অকপটে বলেন, সম্ভাবনা খুবই কম। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে হবে—এটাই বাস্তবতা।
যদিও ইতিহাসের পরিসংখ্যান নরওয়ের পক্ষেই কিছুটা কথা বলে। দুই দলের আগের দেখাগুলোতে ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। তবু পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ম্যাচটিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড।
আইভরি কোস্টকে বিদায় করার পর ডালাস স্টেডিয়ামে উৎসবে মেতে ওঠেন নরওয়ের সমর্থকেরা। খেলোয়াড়রাও মাঠে বসে নিজেদের ঐতিহ্যবাহী ‘ভাইকিং রোয়িং’ উদযাপন করেন। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড ড্রাম বাজিয়ে সেই উদযাপনে নেতৃত্ব দেন।
দেশের মানুষের সমর্থনের কথা তুলে ধরে হালান্ড বলেন, নরওয়ের মানুষ এখন দারুণ আনন্দিত। জাতীয় দলকে ঘিরে পুরো দেশ যেভাবে একত্রিত হয়েছে, সেটি আমাদের পারফরম্যান্সেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
শেষ ষোলো নিয়ে নিজের প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আমরা শেষ ষোলোয়। এখানে প্রতিটি দলই শক্তিশালী। সামনে কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। পরের ধাপে ওঠা সহজ হবে না। আমরা পারব কি না জানি না, তবে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখার চেষ্টা করছি।
বর্তমান নরওয়ে দলের সবচেয়ে বড় ভরসা হালান্ড। বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলদাতাদের একজন হিসেবে পরিচিত এই স্ট্রাইকার ইউরোপিয়ান বাছাইপর্বে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ২৮ বছর পর নরওয়েকে আবারও বিশ্বকাপের মূল পর্বে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৮ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে নরওয়ে, আর সেই প্রত্যাবর্তনকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে এবার তাদের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা—ব্রাজিল।





