Advertisement

গুগল ভিডস-এ ম্যাজিক/এবার নিজের অবয়ব ও কণ্ঠে তৈরি হবে এআই ভিডিও

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
এবার নিজের অবয়ব ও কণ্ঠে তৈরি হবে এআই ভিডিও
ছবি: সংগৃহীত

ভিডিও তৈরিতে জেনারেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)-এর ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। এই চাহিদাকে পুঁজি করে টেক জায়ান্ট গুগল তাদের এআই ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘গুগল ভিডস’-এ নিয়ে এসেছে বৈপ্লবিক সব ফিচার।

ওপেনএআই-এর আলোচিত ভিডিও তৈরির টুল ‘সোরা’ বর্তমানে জনসাধারণের জন্য বন্ধ থাকলেও, গুগল বিশ্বাস করে এই খাতে ব্যবহারকারীদের আগ্রহ আকাশচুম্বী। আর তাই, ভিডস-এ এখন নিজের চেহারা ও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে ‘কাস্টম ডিজিটাল অ্যাভাটার’ তৈরির দারুণ সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) গুগল এই নতুন আপডেটের ঘোষণা দেয়। নতুন এই ফিচারের সুবিধা নিতে ব্যবহারকারীকে কেবল নিজের একটি সেলফি এবং ভয়েস রেকর্ডিং আপলোড করতে হবে। এর ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হবে একটি কাস্টম ডিজিটাল অ্যাভাটার, যা হুবহু ব্যবহারকারীর মতো দেখতে এবং শুনতে হবে।

এর পাশাপাশি, গুগল তাদের শক্তিশালী মাল্টি-মোডাল এআই মডেল ‘জেমিনি ওমনি’-কে ভিডস-এর সঙ্গে একীভূত করেছে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা এখন শুধু লিখিত প্রম্পট এবং রেফারেন্স ছবি আপলোড করেই কাঙ্ক্ষিত ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, ওমনি-র সাহায্যে ফোনে রেকর্ড করা ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করা, লাইটিং ঠিক করা কিংবা নতুন কোনো ইফেক্ট যোগ করার কাজও করা যাবে খুব সহজে।

সবচেয়ে সুবিধাজনক বিষয় হলো, আগের মতো ভিডিওর যেকোনো পরিবর্তনের জন্য একদম শুরু থেকে কাজ করার ঝামেলা থাকছে না। ওমনি এখন ধাপে ধাপে এডিটিং সাপোর্ট করবে, ফলে ভিডিওর নির্দিষ্ট অংশ প্রম্পট দিয়ে এডিট করা সম্ভব।

এই আপডেটের ফলে গুগল ভিডস কেবল একটি সাধারণ কর্মক্ষেত্রের প্রেজেন্টেশন টুল থেকে পুরোপুরি ‘অল-ইন-ওয়ান’ ভিডিও ক্রিয়েশন প্ল্যাটফর্মে রূপ নিল। গুগল ওয়ার্কস্পেসের অংশ হিসেবে এটি বিভিন্ন কোম্পানির আপডেট বা ট্রেনিং ভিডিওর মতো ব্যবসায়িক কাজে বেশ সাহায্য করবে।

প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যবহারকারীরা এই এআই অ্যাভাটার ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিষয়ে গুগল জানিয়েছে, এই এআই অ্যাভাটার সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারকারীর গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং এটি কেবল অ্যাকাউন্টধারীর নিজের অবয়ব তৈরিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এছাড়া, এআই দিয়ে তৈরি প্রতিটি ভিডিওতে একটি অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক থাকবে, যা গুগলের ‘সিন্থআইডি’ প্রযুক্তি দ্বারা চালিত।

সূত্র: টেকক্রাঞ্চ