দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা তলানিতে

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ও লাগামছাড়া জ্বালানির দামে বিপাকে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রয়টার্স ও ইপসোসের সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, তার জনপ্রিয়তার হার নেমে এসেছে মাত্র ৩৬ শতাংশে। অর্থাৎ দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর তার জনপ্রিয়তা ঠেকেছে তলানিতে। আগের সপ্তাহেও এই হার ছিল ৪০ শতাংশ।
চার দিনের এই অনলাইন জরিপে ১ হাজার ২৭২ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে মাত্র ৩৫ শতাংশ মানুষ, আর বিপক্ষে ৬১ শতাংশ।
জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ। ইরানে হামলা শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ায় পেট্রোলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের পকেটে সরাসরি চাপ ফেলছে। অর্থাৎ, অল্প সময়ের ব্যবধানে চার শতাংশ পয়েন্ট কমেছে সমর্থন।
চার দিনব্যাপী এই জরিপটি সোমবার শেষ হয়। এতে অংশ নেওয়া উত্তরদাতাদের বড় একটি অংশ বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে, পেট্রোলের দাম বেড়ে যাওয়ায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে, যার দায় সরাসরি সরকারের ওপর চাপাচ্ছেন অনেকে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর ইরান-সংকট নতুন করে তীব্র হয়ে ওঠে। এর পর থেকেই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়, যার প্রভাব পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারেও।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক চাপ একসঙ্গে পড়ায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে। সামনে নির্বাচন ঘনিয়ে এলে এই প্রবণতা ট্রাম্পের জন্য আরও বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। তবে সংবিধান অনুযায়ী তিনি আর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারলেও তার দল রিপাবলিকান পার্টির পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বীর জন্য হতে পারে চ্যালেঞ্চের।




