গাড়ির পেছনে দৌড়ানোর ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি

এশিয়া পোস্ট নিউজ
গাড়ির পেছনে দৌড়ানোর ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি

রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়ির পেছনে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের দৌড়ানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে গণমাধ্যমের সমালোচনা করে ফেসবুকে বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। 

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দেওয়া পোস্টে ছাত্রদল সভাপতি লিখেছেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা, পুরো ৩ ঘণ্টা সময় আমি বাংলা একাডেমি চত্বর এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে উপস্থিত ছিলাম। 

‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলা একাডেমিতে প্রবেশের পূর্বেই সালাম বিনিময় করেছি, হাজার হাজার ছাত্রদলের নেতাকর্মীর ভিড় ঠেলে তার গাড়িকে বাংলা একাডেমিতে প্রবেশের পুরো মুহূর্তটুকু তার গাড়ির সামনে ছিলাম। গাড়ি থেকে সভাপতি হিসেবে আমি নামিয়েছি এবং আমিই প্রথম করমর্দন করে সার্বিক পরিস্থিতিও স্বল্পবাক্যে বর্ণনা করেছি, তাকে স্টেজ পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছি, বইমেলা উদ্বোধনের মুহূর্তে ফিতা কাটার সময়ও তার পাশেই ছিলাম। প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখার সময়ও তার পাশেই ছিলাম। ছাত্রদলের স্টলে আসার পর ছাত্রদলের ম্যাগাজিনটা আমিই তার হাতে দেই, অপরাপর নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রেক্ষাপট তুলে ধরি, সর্বশেষ তাকে সালাম ও করমর্দনের মাধ্যমে বিদায় দেই।’

রাকিবুল ইসলাম রাকিব আরও লিখেছেন, তারপর বাংলা একাডেমি থেকে বের হয়ে মূল গেটের বাহিরে ছাত্রদলের অপরাপর নেতাকর্মীদের নিয়ে অবস্থানের মুহূর্তে সিএসএফের অনুরোধে আমি তার গাড়ির সামনে গিয়ে বাংলা একাডেমি থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত সব ছাত্রদলের সব ইউনিটকে পরিচয় করিয়ে দেই এবং তারা যেন গাড়ি আটকিয়ে শুভেচ্ছা, সালাম বিনিময় না করে সেজন্য আমিও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হাসিমুখে নিবৃত্ত করি। 

‘দোয়েল চত্বরে গাড়ির গতি অতিদ্রুত হওয়ায় ছাত্রদলের অপরাপর নেতাকর্মীদের সঙ্গে জাস্ট ৫/৭ সেকেন্ড দৌড়ে সর্বশেষ সৌজন্যমূলক সালাম বিনিময় করেছি। আমি অবশ্য এটা না করলেও পারতাম, কিন্তু কোনো কিছু না ভেবেই সারাক্ষণ তার পাশে থাকার পরও সর্বশেষ সালাম বিনিময় করেছি। কিন্তু পুরো ২ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের পরিবর্তে জাস্ট ১০ সেকেন্ডকে নেগেটিভলি শিরোনাম করে নিউজ করে দেওয়া হলো। দীর্ঘদিন পর এ ধরনের কাজে লিপ্ত অপসাংবাদিকতা সফল।