মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপ সরকারের আমন্ত্রণে দেশটির ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানী মালেতে রিপাবলিক স্কয়ারে আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে অংশ নেন তিনি।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম। কুচকাওয়াজে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের বিভিন্ন ইউনিটের সুসজ্জিত মার্চপাস্ট ও মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এসব আয়োজনের মাধ্যমে দেশটির শৃঙ্খলা, ঐতিহ্য এবং জাতীয় গৌরবের প্রতিফলন তুলে ধরা হয়।
কুচকাওয়াজ শেষে ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরা এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে মনোমুগ্ধকর আতশবাজির প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।
আগের দিন মালেতে লোনুজিয়ারাআরাই পার্কে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু ঘোষিত ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রিজ প্রজেক্ট’-এর আওতায় একটি গাছের চারা রোপণ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম এবং দেশটির জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ও জ্বালানিবিষয়ক মন্ত্রী আলী শরীফ।
গাছ লাগানোর কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপে সবুজায়ন সম্প্রসারণে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এ সময় তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে নিম গাছের বিশাল বাগান সৃষ্টির কথাও স্মরণ করেন। বর্তমানে এসব গাছ স্থানীয়ভাবে ‘জিয়া ট্রিজ’ নামে পরিচিত।
.png)






