প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

এশিয়া পোস্টে ১৮ জুলাই ‘পরীক্ষা ছাড়াই রাজশাহীর নির্বাচন অফিসে নিয়োগ পেলেন ১৪৩ জন’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে কেএসএফ ট্রেডার্স লিমিটেড।
প্রতিবাদপত্রে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামী হোসাইন দাবি করেছেন, একটি অসাধু চক্র তাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য কেএসএফ ট্রেড লিমিটেডের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ কাল্পনিক, ভুয়া ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে নানাভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
প্রতিবাদপত্রে আরও বলা হয়েছে, প্রতিবেদনে নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে কোনো প্রকার অর্থ গ্রহণ করা হয়নি।
এছাড়া নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগের অভিযোগও অসত্য দাবি করে শামীম আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ১৪ জুনের নির্দেশনা অনুযায়ী আউটসোর্সিং নীতিমালা ২০২৫, পিপিআর ২০০৬ এবং প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর ডিপিএম পদ্ধতি শতভাগ অনুসরণ করে এই কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। সামগ্রিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং কর্মরত অভিজ্ঞ কর্মীদের বেতন সচল রাখতেই জরুরি পরিস্থিতিতে এই আইনি পদ্ধতি বেছে নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : এশিয়া পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কোনো অনুমান বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়নি। গত ৫ জুলাই কেএসএফ ট্রেড লিমিটেডের কার্যালয়ের নিচে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তিকে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গ্রহণ করতে দেখা যায়। এ ঘটনার ভিডিও এশিয়া পোস্টের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে অর্থ দাবির অভিযোগসংক্রান্ত আরও তথ্য-প্রমাণও এশিয়া পোস্টের হাতে রয়েছে।
প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সাক্ষাৎকার, সরকারি নথি, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং কেএসএফ ট্রেড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামীম হোসাইনের বক্তব্যসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে তৈরি করা হয়েছে। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অংশ হিসেবে প্রতিবেদনে একাধিক চাকরিপ্রত্যাশী ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য যথাযথভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট নিয়োগ কার্যক্রমে কেএসএফ ট্রেড লিমিটেড ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে কিসের ভিত্তিতে এককভাবে নির্বাচন করা হয়েছে; সেই প্রশ্ন প্রতিবেদনে উত্থাপন করা হয়েছে।
এশিয়া পোস্টে প্রতিবেদন প্রকাশের পর গত ২০ জুলাই নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সততার অভাব ও দায়িত্বহীনতার প্রমাণ মিলেছে। সে অনুযায়ী তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
.png)






