ইউএস বাংলা বিমানে ‘অগ্নি-সতর্ক’ সংকেত, যাত্রীদের ভোগান্তি

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
ইউএস বাংলা বিমানে ‘অগ্নি-সতর্ক’ সংকেত, যাত্রীদের ভোগান্তি
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অগ্নিকাণ্ডের সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সাময়িক ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। ওই বিমানটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রম চলছে।

Advertisement

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৩টায় এশিয়া পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৭টার দিকে ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। এতে বিমানবন্দরের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, ওই এয়ারলাইন্সের ঢাকা-চট্টগ্রাম ফ্লাইটের বিমানে ৭০ জন যাত্রী ছিলেন। পরে প্রায় এক ঘণ্টা পর ইউএস বাংলার আরেকটি বিমানের ফ্লাইটে তাদের চট্টগ্রাম পৌঁছে দেওয়া হয়।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এয়ারলাইন্সের কিছু প্রসিডিউর (প্রক্রিয়া) আছে। ইমারজেন্সি যদি কোনো ইন্ডিকেশন আসে, তাহলে ফায়ার সার্ভিসকে কল দেওয়া, যাত্রীদেরকে সরানো, যা যা করার দরকার সবই করতে হয়। এটি যদি ভুল ইন্ডিকেশনও আসে, তবুও করতে হয়। এটা হচ্ছে ইমারজেন্সি এয়ারলাইন্স প্রসিডিউর। আমাদেরও তাই করা হয়েছে। তবে কোনো দুর্ঘটনা বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

তিনি বলেন, ‘বিমানের মনিটরে অনেক সময় ভুল ইন্ডিকেট করে। যা বিগত দিনে বহু এয়ারলাইন্সেও হয়েছে। ভুল ইন্ডিকেটর হলে অবশ্যই ক্রস চেক করতে হবে। ক্রস চেক ছাড়া ফ্লাইট অপারেট করতে পারবে না।’

ওই বিমানের যাত্রীদের ৪০ মিনিটের মধ্যে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইউএস বাংলার এই কর্মকর্তা। বিমানটির ক্রস চেক করার জন্য হাঙ্গারেও নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘ওই রকম কিছুই হয়নি, জিরো। শুধু মনিটরে একটি ইন্ডিকেশন আসছে।’

তিনি বলেন, ‘ইমারজেন্সি ডোর (দরজা) ওপেন (খোলা) করে দেওয়া হয়েছে। ওই ডোরগুলো থাকে প্লাস্টিকের, সেটার লক খুলে দিলে যাত্রীরা দ্রুত বেরিয়ে যেতে পারে। আর সেটাই করা হয়েছে। কিন্তু কোনো দরজা ভাঙার ঘটনা ঘটেনি।’

এ বিষয়ে জানতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদ এবং তার মুখপাত্র স্কোয়াড্রন লিডার মো. মাহমুদুল হাসানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তাদেরকে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।