ডাকাতির আগেই ‘কুত্তা ফারুক’সহ আটক ৭

গভীর রাতে চাপাতি, সামুরাই আর দেশীয় ধারালো অস্ত্র হাতে অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতি। টার্গেট ছিল ডাকাতি, আর পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ ছিনতাই চক্রটির সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেখেরটেক ৭ নম্বর রোড ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ‘ভাইস্তা বিল্লাল’ গ্রুপের সাত সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য কুত্তা ফারুকও রয়েছে।
ছিনতাই চক্রের সদস্যদের আটকের খবরে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা। এ সময় নিজেদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বর্ণনা দেন তারা। তবে আটক হলেও আসামিরা কিছুদিন পরই জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুর রহমান জানান, অপরাধ সংঘটনের আগেই অভিযান চালিয়ে পুরো চক্রটিকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
তিনি আরও জানান, একটি মুরগির খামারে ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল চক্রটির। পাশাপাশি গত ৩ মে কিশোর গ্যাং নেতা ভাইস্তা বিল্লাল ও মউরা সোহেল গ্রেপ্তারের প্রতিশোধ নিতে পুলিশের সোর্সের ওপর হামলারও পরিকল্পনা করছিল তারা। এ উদ্দেশ্যে স্থানীয় সহযোগীদের পাশাপাশি শরীয়তপুর ও মাদারীপুর থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী আনা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতি ও হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। আটক হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।





