পদ্মায় নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, এখনও মেলেনি প্রবাসীর সন্ধান

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া দুই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। তবে মহানন্দা নদীতে নিখোঁজ হওয়া এক প্রবাসীর সন্ধান এখনও মেলেনি। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় পদ্মা নদীর আলীমনগর ঘাট এলাকা থেকে ওই দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার সাঈদ হাসান শুভ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নদীতে ডুবে মারা যাওয়ায় দুই শিক্ষার্থী হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর রঊফ হাজিপাড়ার জেম আলীর ছেলে রিফাত আলী এবং ইসলামপুর চর তেরোরশিয়া এলাকার আলম হোসেনের ছেলে রাসেল। তারা দুজনেই স্থানীয় সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে রিফাত ও রাসেল পদ্মা নদীর আলীমনগর ঘাট এলাকায় নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে তারা নদীর পানিতে তলিয়ে গেলে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারের চেষ্টা চালায় এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। খবর পেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রথমে রিফাত এবং সোয়া ৬টার দিকে রাসেলের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া যুবক সাকিরুল ইসলামের সন্ধান এখনও মেলেনি। সাকিরুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আরামবাগ-আজাইপুরের রুহুল আমিনের ছেলে, তিনি একজন ওমান প্রবাসী। মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত তিনি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সাকিরুলকে উদ্ধারে মহানন্দা নদীতে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, পদ্মায় ডুবে নিখোঁজ হওয়া দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মহানন্দা নদীতে নিখোঁজ প্রবাসীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। মহানন্দা নদীতে ফায়ার সার্ভিসের তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






