কর্মস্থলে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ইপিজেড কর্মীর

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় সুমি রানি রায় (৩৫) নামে এক নারী ইপিজেড কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্বপন রায় (৩০) নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (৪ জুলাই) সকালে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের চৌধুরীরহাট বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমি রানি রায় জলঢাকা উপজেলার পশ্চিম শিমুলবাড়ী শাল্টিতলা এলাকার বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। তিনি নীলফামারী সদর উপজেলার উত্তরা ইপিজেডে কর্মরত ছিলেন। আহত স্বপন রায় ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী এলাকার বিপিন রায়ের ছেলে এবং নিহতের ভাগনি জামাই।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার ভোরে সুমি রানি রায় তার ভাগনি জামাই স্বপন রায়ের মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থল উত্তরা ইপিজেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে চৌধুরীরহাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে (ঢাকা থেকে মীরগঞ্জগামী) ‘মায়ের দোয়া’ পরিবহনের একটি দ্রুতগতির নাইট কোচ সামনে চলে আসে। সংঘর্ষ এড়াতে মোটরসাইকেলচালক ব্রেক করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। এতে বাসটির পেছনের চাকার নিচে পড়ে সুমি রানির মাথা পিষ্ট হয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। চালক স্বপন রায় রাস্তার বাঁ পাশে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জলঢাকা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় কোনো ধরনের মামলা করা হয়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।




