ময়মনসিংহ বিভাগে প্রধান ঈদের জামাত কখন কোথায়

ময়মনসিংহ বিভাগে বড়-ছোট মিলিয়ে কয়েক হাজার ঈদের (ঈদুল আজহা) জামাত হবে। শুধু ময়মনসিংহ জেলায় দুই হাজার ৫০০ স্থানে জামাত হবে। এই বিভাগের জামালপুর জেলায় ৫৫টি স্থানে ঈদের বড় জামাত হবে। শেরপুর জেলায় হবে ৩১টি স্থানে ঈদের বড় জামাত।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, এই বিভাগের প্রধান জামাতগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বেশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করবে। বড়-বড় স্থানে ঈদের জামাত আলাদা নজরদারিতে রাখা হবে।
ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহে প্রধান জামাত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে নগরীর কাঁচিঝুলির আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে। একই স্থানে দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে।
প্রথম জামাতের ইমামতি করবেন হাফেজ মুফতি আবদুল্লাহ আল মামুন। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন হাফেজ মাওলানা আতিকুর রহমান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. হাবেজ আহমেদ জানান, নগরের চকবাজারে ঐতিহ্যবাহী বড় মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা মো. আবদুল হক। বাড়েরায় দারুল উলুম নিযামীয়া মোমেনশাহীতে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম। আকুয়া কান্দাপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ইমামতি জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা মো. মুজাম্মেল। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মাঠে সকাল ৮ টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এগুলোসহ সদরের ১৯টি স্থানে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলায় ১৫টি স্থানে, মুক্তাগাছায় ১২টি স্থানে, ত্রিশালে ৬টি স্থানে, ভালুকায় ২৩টি স্থানে, গফরগাঁওয়ে ৫০টি স্থানে, নান্দাইলে ৩০টি স্থানে, ঈশ্বরগঞ্জে ৯টি স্থানে, গৌরীপুরে ১১টি স্থানে, তারাকান্দায় ৭টি স্থানে, ফুলপুরে ৩৬টি স্থানে, হালুয়াঘাটে ২৬টি স্থানে ও ধোবাউড়ায় ১৩টি স্থানে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর বাইরে ছোটছোট অনেকগুলো জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে জেলার প্রায় দুই হাজার ৫০০ স্থানে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত হবে।
জামালপুর
জামালপুরে ৫৫টি স্থানে এবার ঈদের বড় জামাত হবে। এর বাইরে ছোট অনেকগুলো জামাত হবে। শহরের অন্যতম প্রধান জামাত জামালপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৮টায় হবে। জামাতে ইমামতি করবেন হয়রত আলহাজ্ব মুফতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। জামালপুর সদর উপজেলায় ২৪টি স্থানে বড় জামাত হবে।
শেরপুর
শেরপুরে ৩১টি বড় জামাত ছাড়া ছোট অনেকগুলো জামাত হবে। পৌর ঈদগাহ মাঠে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়। এতে ইমামতি করবেন ইমাম মাওলানা সিদ্দিক আহমদ।
পৌর শহরের চাপাতলী জেলা পরিষদ মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা আবুল হোসেন। মাইসাহেবা ঈদগাহ মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা আকরাম হোসাইন। তেরাবাজার মাদরাসা ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামাত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা ছফিরুদ্দীন কাসেমী। ইদ্রিসিয়া কামিল মাদরাসা মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা ফজলুল রহমান। নবীনগর ফারুকীয়া মাদরাসা মাঠে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা মুখলেছুর রহমান।
কাজি বাড়ী ঈদগাহ মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন মুফতী আব্দুর রহমান। বাগরাকসা তালুকদার বাড়ী জামে মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা নজরুল ইসলাম। কসবা শাহী মসজিদ মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা হযরত আলী আশরাফী। কসবা শাহকামাল মাজার ঈদগাহ মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা আব্দুল জলিল। নতুন বাসটার্মিনাল রাজার কাচারী ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামাত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা আব্দুল আজিজ আল আজহারী।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, যেসব বড় স্থানে ঈদের নামাজ হবে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।





